


নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: অপহৃত সোনা ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে নিউটাউনের ফ্ল্যাটেই মারধর করা হয়েছিল। বিডিওর ফ্ল্যাট থেকে সোনা চুরি করা ‘চোর’ নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়েছিল কিছুদিন আগে। এই ঘটনায় ধৃত রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের গাড়ি চালক এবং ঠিকাদার বন্ধুও পুলিশি জেরায় একই কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ ‘সোনা চোরে’র সঙ্গে তাদের বয়ানও মিলে যাচ্ছে। ওই সোনা চোর দাবি করেছিল, বিডিও নিজেই তাদের দুজনকে মারধর করেছিল। তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও স্বপনকে ছাড়া হয়নি! তাই শেষপর্যন্ত স্বপনের সঙ্গে কী কী ঘটেছিল, কারা কারা ফ্ল্যাটে ছিল, কী দিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়েছিল, এই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা শাখা। ইতিমধ্যে বেশকিছু নমুনাও মিলেছে।
স্বপনবাবুর পরিবারের লোকজন অভিযোগে জানিয়েছিলেন, স্বপনবাবুকে ২৮ অক্টোবর অপহরণ করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তাঁকে খুন করা হয়েছে। অপহরণ ও খুনে যুক্ত খোদ বিডিও প্রশান্ত বর্মন! তদন্তে নেমে পুলিশ এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের জেরা চলছে। বিডিওর সঙ্গে তাদের কল রেকর্ডও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাকিরা এখনও কেন ধরা পড়ছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশের দাবি, তদন্ত চলছে। যে দুজনের প্রত্যক্ষ যোগ ছিল, তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।