


নয়াদিল্লি: গত এক দশকে দেশে ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপির সংখ্যা তিনগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বকেয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকা। সম্প্রতি সংসদে এমনই তথ্য পেশ করেছে মোদি সরকার।
সম্প্রতি লোকসভায় একটি প্রশ্নের উত্তরে রিজার্ভ ব্যাংকের তথ্য তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি জানান, ২০১৪ সালের মার্চে এই ঋণ খেলাপির সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৭৬ জন। বকেয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৩৯ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ঋণ খেলাপকারীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৩১৮। একইসঙ্গে লাফিয়ে বেড়েছে বকেয়া ঋণ। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ২৬৪ কোটি টাকা বাকি রয়েছে। অর্থাৎ, বকেয়া ঋণের পরিমাণ ১০ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। তালিকার শীর্ষে রয়েছে এবিজি শিপইয়ার্ড লিমিটেড, গীতাঞ্চলি জেমস লিমিটেড সহ একাধিক সংস্থা। এহেন পরিস্থিতিতে কী পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্র? উত্তরে সীতারামন জানান, ব্যাংকগুলিকে ঋণ খেলাপকারীদের অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ঋণের পরিমাণ কমাতে সমঝোতার পথে হাঁটতে পারে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। তবে সেক্ষেত্রে বোর্ডের অনুমতি প্রয়োজন।