নয়াদিল্লি: মাওবাদী মুক্ত ভারত গঠনের লক্ষ্য নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই লক্ষ্য অনেকটাই অর্জন করা গিয়েছে। দেশে ‘সর্বাধিক মাওবাদী উপদ্রুত জেলা’র সংখ্যা ১২ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৬টি। মঙ্গলবার এই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এক্স হ্যান্ডলে এদিন তিনি লেখেন, ‘সুরক্ষিত এবং সমৃদ্ধ ভারত গঠনের লক্ষ্যে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নিয়েছে মোদি সরকার। এই নীতিতে সাফল্য এসেছে।’ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদের শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব হবে বলে ফের দাবি করেছেন অমিত শাহ।
মাওবাদী কার্যকলাপ এবং নাশকতার ঘটনা ঘটে, এমন জেলাগুলিকে ‘মাও উপদ্রুত’ বলে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই মাও উপদ্রুত জেলাগুলিকে আবার দু’টি ক্ষেত্রে বিভক্ত করা হয়েছে— ‘সর্বাধিক উপদ্রুত’ এবং ‘উদ্বেগজনক’। এর বাইরে রয়েছে ‘আংশিক উপদ্রুত জেলা’। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নথি অনুযায়ী, আগে মাও উপদ্রুত জেলার সংখ্যা ছিল ২১টি। এরমধ্যে সর্বাধিক মাও উপদ্রুত জেলা ছিল ১২টি। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬টি। উদ্বেগজনক জেলাও ৯ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৬টি। আংশিক উপদ্রুত জেলার সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। ১৭ থেকে হয়েছে ৬। সর্বাধিক উপদ্রুত এলাকাগুলির মধ্যে চারটিই ছত্তিশগড়ে। সেগুলি হল— বিজাপুর, কাঙ্কের, নারায়ণপুর এবং সুকমা। বাকি দু’টি হল ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভুম এবং মহারাষ্ট্রের গড়চিরৌলি।