


নয়াদিল্লি: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন নিরীহ ভারতীয়। সেই জঘন্য হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান তথা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করলেন পাক সেনাবাহিনীরই এক প্রাক্তন মেজর। সংবাদমাধ্যমকে আদিল রাজা নামে ওই প্রাক্তন সেনাকর্তা জানিয়েছেন, ‘গোটা ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে ছিলেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চার-পাঁচজন শীর্ষস্তরের আধিকারিক। তাঁদের মধ্যে অন্যতম মুনির।’ বাকি যে সমস্ত আধিকারিকরা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন, তাঁদের নাম-পরিচয়ও এখন সামনে চলে এসেছে বলেও দাবি আদিল রাজার। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কীভাবে জঙ্গিদের মদত দেয় বা হ্যান্ডেলারদের কাজে লাগিয়ে কীভাবে জম্মু ও কাশ্মীরে অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে, তাও তুলে ধরেছেন এই প্রাক্তন পাক মেজর।
দেশের মধ্যেই ক্রমে সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে সুর চড়ছিল পাকিস্তানে। সেদিক থেকে নজর ঘোরাতেই মুনির এই ষড়যন্ত্রের নীল নকশা কষেছিলেন বলে জানিয়েছেন রাজা। পহেলগাঁও হানার নেপথ্যে পাকিস্তানের যোগ নিয়ে প্রথম থেকেই সরব ভারত। প্রাক্তন মেজরের বক্তব্যে পাক যোগের বিষয়টি ফের বেআব্রু হয়ে গেল।
রাজা আরও বলেছেন, এই ঘটনায় জড়িত পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ে কিছু অফিসার যে জড়িত ছিলেন, তা তিনি জানেন। বৃহত্তর কৌশলের অঙ্গ হিসেবেই মুনির ওই হামলার ছক কষেছিলেন। ভারতের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যর্থতায় হতাশ হয়ে উঠেছিলেন মুনির। এই পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীতে নিজের জায়গা ধরে রাখতে বড়সড় একটা অপারেশন চালাতে চেয়েছিলেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে মুনিরের সাম্প্রতিক ফিল্ড মার্শাল পদে প্রোমোশনের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন প্রাক্তন পাক মেজর। তিনি আরও বলেছেন, পহেলগাঁওয়ে হামলায় আইএসআইয়ের ডিজি মহম্মদ আসিম মালিক ও মহম্মদ সাহাব আসলামেরও বড়সড় ভূমিকা ছিল। তাঁরা পহেলগাঁওয়ের ঘাতকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখেছিলেন। আসিম মুনির। -ফাইল চিত্র