Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মুর্শিদাবাদে তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি, শুনশান রাস্তাঘাট

প্রচণ্ড গরমে নাজেহাল দশা মুর্শিদাবাদবাসীর। শুক্রবার বেলা বাড়তেই জেলার বিভিন্ন শহরের রাস্তাঘাট শুনসান হয়ে যায়।

মুর্শিদাবাদে তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি, শুনশান রাস্তাঘাট
  • ১০ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: প্রচণ্ড গরমে নাজেহাল দশা মুর্শিদাবাদবাসীর। শুক্রবার বেলা বাড়তেই জেলার বিভিন্ন শহরের রাস্তাঘাট শুনসান হয়ে যায়। বাজারেও ভিড় কমতে থাকে। দুপুরে বহরমপুরে তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যায়। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি হওয়ায় গলদঘর্ম অবস্থা সবার। তপ্ত হওয়ায় পথচারীদের শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। একসপ্তাহ ধরে জেলায় বৃষ্টি হয়নি। আবহাওয়া কবে বদলাবে, সেই অপেক্ষায় জেলার মানুষ। বহরমপুরের বাসিন্দা দিলীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, এখন গরমকালে খুব সকালের দিকে বাজারে যাচ্ছি। কিন্তু এদিন সকাল ১০টার সময় বাজার থেকে ফেরার পথেই গরমে নাজেহাল হতে হয়। এবার থেকে সন্ধ্যায় বাজার করার বন্দোবস্ত করছি।

Advertisement

প্রচণ্ড গরমে এদিন মাঠে কাজ করতে গিয়ে চাষিরা নাজেহাল হন। দোকানবাজারেও লোকজন কম ছিল। বাজারে লোকজন কম আসায় বিক্রিবাটা অনেক কমে গিয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। বহরমপুর শহরের বিভিন্ন রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত ট্রাফিক গার্ডরা বারবার চোখেমুখে জল ছিটিয়েও স্বস্তি পাচ্ছিলেন না।
শহরের ব্যবসায়ী অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, গরমের জন্য দোকানে বিক্রি একেবারে কমে গিয়েছে। দুপুরের দিকে সারা বাজার খাঁখাঁ করছে। সন্ধ্যার পর সামান্য কিছু ক্রেতা এসেছিলেন। টানা একসপ্তাহ ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় সমস্যা বেড়েছে। মাঝেমধ্যে কালবৈশাখীর দেখা মিললে আবহাওয়া একটু নরম হতো। আশপাশের জেলায় মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলেও এজেলায় তার ছিটেফোঁটাও নেই। হরিপাড়ার চাষি লিয়াকত শেখ বলেন, সকালেই জমির সব কাজ সেরে নিই। তবে এদিন জমির ঘাস নিংড়াতেই সাড়ে ১২টা বেজে যায়। গরমে খুব অসুস্থ বোধ করছিলাম। জল খেয়ে গাছতলায় বসে কিছুক্ষণ জিরিয়ে তারপর বাড়ি ফিরেছি।
বহরমপুরের মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ প্রলয় মজুমদার বলেন, আমাদের সারাদিন বাইকে চেপে ঘুরতে হচ্ছে। শুক্রবার গরমে খুব কষ্ট পেয়েছি। দুপুরের দিকে কাজই করতে পারছিলাম না। সাড়ে ৩টের পর তাপ একটু কমলে ডাক্তারদের ভিজিট করেছি। বহরমপুরের মোহনা বাসস্ট্যান্ডে বাসে বসেছিলেন অরূপরতন মণ্ডল। তিনি বলেন, সবে সকাল ১১টা। তাতেই রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। বহরমপুর থেকে বাসে ফরাক্কা যাব। জাতীয় সড়কে কোনও গাছের নেই। বাস ছাড়ার আগেই ঘামে সারা শরীর ভিজে যাচ্ছে। ছাতা সঙ্গে নিয়েছি। আশা করছি, ক’দিনের মধ্যে আবহাওয়া একটু ঠান্ডা হবে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ