Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

যোগ্য তালিকা যাচাই করে শিক্ষকদের বেতন প্রক্রিয়া শুরু

অযোগ্য বলে চিহ্নিত নন, এমন শিক্ষকদের বেতন প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করল সরকার। তবে, তার আগে স্কুলের তরফেও তালিকা যাচাই করা হবে।

যোগ্য তালিকা যাচাই করে শিক্ষকদের বেতন প্রক্রিয়া শুরু
  • ২৪ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অযোগ্য বলে চিহ্নিত নন, এমন শিক্ষকদের বেতন প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করল সরকার। তবে, তার আগে স্কুলের তরফেও তালিকা যাচাই করা হবে। এর ফলে ভুলভ্রান্তির সম্ভাবনা কমবে। তাই সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন হলেও এই নির্ভুল তালিকা পেশ করতে পারবে সরকার। আর বেতন প্রক্রিয়া শুরু হতেই ভাঙা হাট এসএসসি আন্দোলনে। নেতারাও বলছেন, এবার স্কুলে ফেরার পালা। যদিও, বুধবার রাতেও কিছু শিক্ষক অবস্থানে ছিলেন। দু’দিন ঘেরাও থাকার পরে বুধবার সকাল সওয়া ন’টা নাগাদ ছাড়া পান এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। এদিন মামলার কারণে হাইকোর্টে উপস্থিতও হন তিনি।

Advertisement

মঙ্গলবার রাতেই ডিআইদের কাছে ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের তালিকা পৌঁছে গিয়েছিল। তা এদিন স্কুলগুলিতেও পাঠিয়েও দেওয়া হয়। তবে, তার ভিত্তিতেই সরাসরি বেতন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে না। সমস্ত প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক,  শিক্ষাকর্মীর প্রোফাইল বেতনের আই-ওএসএমএস পোর্টালে ‘আনসেভ’ করতে হবে। ডিআইরা সেখান থেকে অযোগ্যদের নাম বাদ দিয়ে স্কুলকে সেটা চূড়ান্ত করতে বলবেন। স্কুল সেই পোর্টালে ফাইনালাইজেশন প্রক্রিয়া শেষ করে পাঠাবে। তার ভিত্তিতে বেতন চালু হবে। এর পাশাপাশি আজ, বৃহস্পতিবার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের নাম, জয়েনিং লেটার, রেকমেন্ডেশন লেটার, বদলি হলে ট্রান্সফার অর্ডারের হার্ডকপি ডিআই অফিসে জমা দিতে হবে স্কুলগুলিকে। তার ভিত্তিতেও একদফা যাচাইকরণ হবে।
তবে, জেলাগুলিতে প্রকাশিত তালিকায় অনেক যোগ্যদের নাম নেই বলেও অভিযোগ আসছে। যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চের এক শীর্ষ নেতার নামও বাদ পড়েছে। তাই মঞ্চের তরফে সদস্যদের গুগল শিট পাঠিয়ে সেই অভিযোগ জানাতে বলা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, বদলির ফলেই এরকম সমস্যা হয়েছে। সে কারণেই ট্রান্সফার অর্ডারও চাওয়া হচ্ছে যাতে তালিকা ‘ফুলপ্রুফ’ হয়। যদিও, জেলায় জেলায় ভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করছেন ডিআইরা। তাতেও খানিক ধন্দ তৈরি হচ্ছে। এদিকে, এসএসসি হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলায় খানিক স্বস্তি পেয়েছে। মূল মামলা সুপ্রিম কোর্টে চলায় হাইকোর্ট তা শুনবে কি না, সেটা ২ মে জানাবে বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির ডিভিশন বেঞ্চ। অন্যদিকে, এদিন ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণরা ইন্টারভিউ এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ অভিযান করেন। সভাপতি গৌতম পালের গাড়ি আটকাতে গেলে পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বাধে কিছু প্রার্থীর। মহিলাদের হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে পুলিসের বিরুদ্ধে। প্রার্থীদের কাছ থেকে একটি দাবিপত্রও গ্রহণ করেন সভাপতি। যদিও তাঁদের বলা হয়েছে, ওবিসি মামলার ফয়সালার পর রাজ্য সরকারের কাছ থেকে শূন্যপদ না এলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব নয়।  বুধবার আচার্য সদনের সামনে শিক্ষকরা।-নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ