Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

‘অতিরিক্ত চাপে আত্মহত্যা’, এফআইআরে দাবি হরিয়ানার মৃত এএসআই সন্দীপের স্ত্রীর

জাতিগত হেনস্তার অভিযোগ তুলে গত ৭ অক্টোবর আত্মঘাতী হন হরিয়ানার আইপিএস অফিসার তথা এডিজিপি ওয়াই পুরন কুমার।

‘অতিরিক্ত চাপে আত্মহত্যা’, এফআইআরে দাবি হরিয়ানার মৃত এএসআই সন্দীপের স্ত্রীর
  • ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

চণ্ডীগড়: জাতিগত হেনস্তার অভিযোগ তুলে গত ৭ অক্টোবর আত্মঘাতী হন হরিয়ানার আইপিএস অফিসার তথা এডিজিপি ওয়াই পুরন কুমার। ঠিক সাতদিনের মাথায় মৃত পুরনকে দুষে আত্মঘাতী হন রোহতক সাইবার সেলের এএসআই সন্দীপ কুমার।  দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায়। এবার স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় এফআইআর দায়ের করলেন মৃত এএসআই সন্দীপের স্ত্রী। তাঁর দাবি, অতিরিক্ত চাপ ও হুমকির জেরেই সন্দীপ আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। তাঁর অভিযোগে নাম রয়েছে মৃত আইপিএস অফিসার ওয়াই পুরন কুমারের স্ত্রী আইএএস অফিসার অমনীত পি কুমার, তাঁর ভাই তথা পাঞ্জাবের বিধায়ক অমিত রতন এবং দুই পুলিশ কর্মীর। 

Advertisement

গত ১৪ অক্টোবর রোহতকের সাইবার সেলে কর্মরত অবস্থায় নিজের সার্ভিস রিভলভার দিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেন সন্দীপ। ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়। যেখানে মৃত আইপিএস অফিসার পুরন কুমারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন সন্দীপ। আত্মহত্যার আগে একটি ভিডিও রেকর্ড করেন। সেখানে পুরন কুমারের স্ত্রী অমনীতের নামও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। সন্দীপের স্ত্রী সন্তোষ তাঁর অভিযোগে জানান, এক দুর্নীতি মামলার তদন্তে তাঁর স্বামী যুক্ত ছিলেন। এর জন্যই তাঁকে লাগাতার চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এক্ষেত্রে মৃত পুরন কুমারের দেহরক্ষী সুশীল কুমার, রোহতকের পুলিশ কর্মী সুনীল কুমারের নাম উল্লেখ করেন সন্তোষ। তিনি আরও বলেন, মৃত আইপিএসের স্ত্রী তথা আইএএস অমনীত কুমার, তাঁর ভাই অমিত রতনের নাম করে এই হুমকি দেওয়া হত। আইপিএস পুরন কুমারের আত্মহত্যা প্রসঙ্গে সন্তোষ বলেন, মৃত আইপিএস ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছিল। দোষ প্রমাণ হলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তেন তাঁরা। সেসব এড়াতেই সৎ অফিসারদের উপর অযথা চাপ তৈরি করছিলেন তাঁরা। ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মৃত সন্দীপের স্ত্রী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ, তবে এখনও অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

সম্পর্কিত সংবাদ