নয়াদিল্লি: ১০ ইনিংসে ৪৪৩ রান। চলতি আইপিএলে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বিরাট কোহলি। রবিবার কোটলায় দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ৬ উইকেটে জয়ে বড় অবদান ছিল তাঁর। ৪৭ বলে ৫১ করার পর অরেঞ্জ ক্যাপ উঠেছিল ভিকে’র মাথায়। মন্থর পিচে ক্রুণাল পান্ডিয়ার সঙ্গে তাঁর ১১৯ রানের জুটিই নিশ্চিত করে পয়েন্ট তালিকার মগডালে আরসিবি’র উঠে আসা।
পরিসংখ্যান অনুসারে এই মরশুমে রান তাড়া করে চার ইনিংসে মোট ২৪৫ করেছেন কোহলি। যার মধ্যে আউট হন মাত্র একবার। সেটা দিল্লির বিরুদ্ধেই। ‘চেজমাস্টার’ বলেছেন, ‘রান তাড়া করার সময় স্কোরবোর্ড দেখে পরিকল্পনা সাজাতে হয়। কন্ডিশনের কথা ভাবতে হয়। কোন বোলাররা বল করবে তা দেখা জরুরি। এর মধ্যে কাদের বিরুদ্ধে রান করা কঠিন, সেটাও মাথায় রাখা দরকার। রানের ধারা যাতে বন্ধ না হয় সেই চেষ্টা করে গিয়েছি। এভাবে খেলতে খেলতে মাঝে মাঝে বাউন্ডারিও এসে যায়। কখনওই আটকে পড়তে হয় না। আমি তাই বরাবর স্ট্রাইক রোটেট করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি।’
রান তাড়া করার সময় দিল্লির লোকেশ রাহুলের সঙ্গে উত্তেজিত কথোপকথনে জড়াতে দেখা যায় কোহলিকে। জয়ের পর লোকেশের সামনে গিয়ে ‘এই মাঠ আমার’ ভঙ্গিও করেন তিনি। কয়েকদিন আগে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আরসিবি’কে হারিয়ে লোকেশ এই ভঙ্গিই করেছিলেন। সেটাই ফিরিয়ে দেন ভিকে। তারপর অবশ্য মজার ছলে জড়িয়ে ধরেন লোকেশকে। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন ছোটবেলার কোচ রাজকুমার শর্মাকেও। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে এরপর কোহলি বলেন, ‘টি-২০ ক্রিকেটে বড় জুটি গড়া বা ম্যাচকে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব বোধহয় লোকে ভুলতে বসেছে। অবশ্য এই মরশুমে এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, প্রথম বল থেকে উড়িয়ে খেললে হবে না। পরিস্থিতি বোঝার মতো পেশাদারিত্ব দরকার।’