


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ১০ বছরে ভারতের জনপ্রতি জাতীয় আয়বৃদ্ধির হারে দেশের অন্যান্য প্রান্তকে পিছনে ফেলে দিল দক্ষিণের রাজ্যগুলি। একইরকমভাবে এনডিএ শাসিত রাজ্যের তুলনায় বিরোধী রাজ্যগুলির পারফরম্যান্স যথেষ্ট ভালো। তাৎপর্যপূর্ণভাবে মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানার মতো উন্নত জিএসডিপি সংবলিত রাজ্যগুলির পাশেও পশ্চিমবঙ্গের জাতীয় গড় আয়ের বৃদ্ধিহার যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য এই দুই রাজ্যে বিগত ১১ বছরে জাতীয় জনপ্রতি আয়বৃদ্ধির হার ৫৫ শতাংশ। সেখানে বাংলার ৫২ শতাংশ। ওড়িশায় জাতীয় গড় জনপ্রতি আয়বৃদ্ধির হার হয়েছে ৯৬ শতাংশ। অথচ এই ১১ বছরের মধ্যে ১০ বছরই ছিল বিজু জনতা দলের সরকার। অর্থাৎ বিজেপি সরকারের কোনও ভূমিকা নেই এই উন্নতিতে। গিরিধারী যাদব এবং দীনেশ চন্দ্র যাদবের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক এই তথ্য দিয়েছে। ২০১৪-১৫ আর্থিক বছরে জনপ্রতি জাতীয় আয় ছিল ৭২ হাজার ৮০৫ টাকা। ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে সেটা হয়েছে ১ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা। উত্তর, পশ্চিম, মধ্য, পূর্ব ভারতের এই আয় বৃদ্ধির হার যেখানে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশের মধ্যেই ঘোরাফেরা করছে, সেখানে অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, কেরলের জনপ্রতি জাতীয় আয়বৃদ্ধির হার ৮০ শতাংশের ঊর্ধ্বে। আর ঠিক এই কারণেই দক্ষিণের রাজ্যগুলি একাধিক কারণে মোদি সরকার, জিএসটি কাউন্সিল ও অর্থ কমিশনের কাছে নালিশ জানাচ্ছে যে, ভারতের অর্থনীতিতে আর্থিক অবদান বেশি, অথচ সেই তুলনায় তাদের প্রাপ্তি কম। তাদের অভিযোগ, ‘আমাদের উন্নয়নের টাকা বিলিয়ে দেওয়া হয় উত্তর ভারতীয় রাজ্যগুলিতে।’ এই অভিযোগে আগামী বছর করের অন্তত ৫০ শতাংশ ভাগ চেয়েছে দক্ষিণের রাজ্যগুলি সহ বিরোধী রাজ্যগুলিও।