Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি বাঁচাতে সব চেষ্টাই চালিয়েছিল রাজ্য: মন্ত্রী

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া রুখতে রাজ্য সরকার যথাসাধ্য চেষ্টাই করেছিল। রাজ্যের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও অবশ্য তা এড়ানো যায়নি।

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি বাঁচাতে সব চেষ্টাই চালিয়েছিল রাজ্য: মন্ত্রী
  • ২০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া রুখতে রাজ্য সরকার যথাসাধ্য চেষ্টাই করেছিল। রাজ্যের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও অবশ্য তা এড়ানো যায়নি। কারণ, এই বাড়ি যাঁরা নিয়েছিলেন তাঁদের পারিবারিক সমস্যার কারণেই এই ‘দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা’ ঘটে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে এমনই জানালেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। 

Advertisement

এদিন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল জানতে চান, ‘এই বাড়ি ভেঙে দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকার কোনও পদক্ষেপ নিয়েছিল কি?’ উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এটা একেবারেই হওয়া উচিত ছিল না। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, এটা কোনও সরকারি জায়গা নয়, বাড়িটি একজন ব্যক্তির সম্পত্তি। তাও এরকম অনেকক্ষেত্রে মনীষীদের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি কেউ কিনতে চেয়েছেন কিংবা সেখানে ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরি করতে চেয়েছেন, তা করতে দেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সমস্ত ঐতিহ্য যথাসময়ে বাঁচিয়ে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এক্ষেত্রে এই বাড়িটি যাঁরা নিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে পারিবারিক সমস্যা ছিল। রাজ্য হস্তক্ষেপও করেছিল। কিন্তু তাঁদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলার কারণে কোনও সরকারকেই তাঁরা হস্তক্ষেপ করতে দেননি।’ মন্ত্রী বলেন, ‘তবে সঠিক সময়ে এই ধরনের কোনও খবর পেলে সরকার বাংলার ঐতিহ্য রক্ষায় যথাসাধ্য চেষ্টা করবে। অন্যান্য জায়গায় মনীষী, চিত্রশিল্পী থেকে শুরু করে বিখ্যাত মানুষ, যাঁদের নিয়ে আমরা গর্ববোধ ও অহংকার করি, তাঁদের বাড়ি সংরক্ষণের জন্য হেরিটেজ কমিশন রয়েছে। তা  নিয়ে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরও সক্রিয় থাকে। এই ঘটনার আমরা তীব্র ধিক্কার জানাই। এটা হওয়া উচিত নয়।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ