


নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরে কুপোকাত পাকিস্তান। বন্ধু চীনের দেওয়া অস্ত্র কোনও কাজেই আসেনি। ওই সংঘাতের সময় ইসলামাবাদের মাথাব্যাথার কারণ হয়েছিল যুদ্ধবিমান রাফাল। বেজিংয়েরও। এবার রাফালের খুঁটিনাটি জানতে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ চীনের বিরুদ্ধে। গ্রিসে রাফালের ছবি তুলতে গিয়ে গ্রেপ্তার এক মহিলা সহ চার চীনা নাগরিক।
গ্রিসের টানাগ্রাতে হেলেনিক অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির একটি কারখানা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ওই এলাকায় ছবি তোলার অনুমতি নেই। প্রশাসন সূত্রে খবর, সম্প্রতি ওই এলাকায় ছবি তুলছিলেন ওই চীনা নাগরিকরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁদের বাধা দেন এবং সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু এরপর পাশের একটি ব্রিজের উপর থেকে ফের রাফাল সহ অন্যান্য যুদ্ধ সরঞ্জামের ছবি তোলেন ওই চারজন। তারপরেই তাঁদের গ্রেপ্তার করে স্থানীয় পুলিসের হাতে তুলে দেয় সেনা। সূত্রের খবর, ওই চার জন চীনা নাগরিকের কাছে হেলেনিক অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির প্রচুর ছবি পাওয়া গিয়েছে। তারমধ্যে বেশিরভাগই রাফাল সংক্রান্ত। গুপ্তচরবৃত্তির জন্যই ছবি তোলা হচ্ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
অপারেশন সিন্দুরে পরবর্তী সংঘাতে ভারতের রাফাল ধ্বংসের দাবি তুলেছিল পাকিস্তান। তাঁদের দাবিকে সমর্থন করে চীন নিজের যুদ্ধবিমান বিক্রি বাড়ানোরও লাগাতার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সম্প্রতি রাফাল প্রস্তুতকারক সংস্থা দাসোঁর বিবৃতি চীন-পাকিস্তানের সেই মিথ্যের ফানুস ফাটিয়ে দিয়েছে। তাই কি এবার রাফালের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চিনের? উঠছে প্রশ্ন।