নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উন্মুক্ত শৌচমুক্ত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য। তবে এখনও রাজ্যের গ্রামীণ এলাকায় সাড়ে ছ’লক্ষ বাড়িতে শৌচাগার তৈরি হওয়া বাকি। এমনটাই উঠে এসেছে সাম্প্রতিক রিপোর্টে। শনিবার নবান্নে মুখ্যসচিবের পর্যালোচনা বৈঠকে রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর রিপোর্টটি পেশ করেছে বলে জানা যায়।
সূত্রের খবর, এই রিপোর্টে পঞ্চায়েত দপ্তরের অন্যান্য প্রকল্পের কাজের পাশাপাশি ‘মিশন নির্মল বাংলা’ সংক্রান্ত তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ‘ইন্ডিভিজুয়াল হাউসহোল্ড ল্যাট্রিন’ (আইআইএইচএল) স্কিমের মাধ্যমে প্রত্যেক বাড়িতে শৌচাগার সুনিশ্চিত করছে রাজ্য। এই কাজে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে বাঁকুড়া, মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে কাজের গতি বাড়িয়ে দ্রুত আবেদনকারীদের বাড়িতে শৌচাগার তৈরির কাজ শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। এখনও প্রায় ৮০০ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাকে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। ধূসর জল ব্যবস্থাপনা খাতে পড়ে রয়েছে ১৬০০ কোটি টাকা। এই দু’টি ক্ষেত্রেও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং মুর্শিদাবাদ জেলা পিছিয়ে রয়েছে বলে রিপোর্টে উঠে এসেছে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৬৫ শতাংশ টাকা খরচ হয়েছে। তবে এখনও ২,০০০ কোটি টাকা খরচ হওয়া বাকি। স্কিম তৈরি করা, দরপত্র ডাকা এবং প্রকল্প রূপায়ণে দেরি হওয়ার কারণেই সব টাকা খরচ করা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। আরও জানা গিয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে শীঘ্রই জেলা আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসবে দপ্তরের নির্দিষ্ট সেল।