


চেন্নাই: ভোটমুখী তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নাটকীয় মোড়! আচমকা নতুন দল গড়ে বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা ভি কে শশিকলার। এআইএডিএমকের বহিষ্কৃত নেত্রী তথা প্রয়াত জয়ললিতার ‘ছায়াসঙ্গী’র এই পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। এভাবে এআইএডিএমকে প্রধান ই কে পালানিস্বামীকে তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, শশিকলার বার্তা তামিলনাড়ুর ভোটে এবার চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা উসকে দিয়েছে। এরফলে ধাক্কা খেতে পারে বিরোধী এনডিএ শিবির।
শশিকলার এই পরিকল্পনাকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন তাঁরই বোনপো তথা এএমএমকে নেতা টি টি ভি দীনাকরন। মাসি শশিকলার নতুন দলকে ‘ইনস্ট্যান্ট সম্বর ও ইডলি’ বলে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন এনডিএ-র এই শরিক দলের নেতা। তাঁর দাবি, এতে কোনওভাবেই ধাক্কা খাবে না এনডিএ। শশিকলার মতোই এআইএডিএমকে থেকে বহিষ্কার হওয়ার পর নিজের দল গড়েছিলেন দীনাকরনও। মঙ্গলবার এআইএডিএমকের প্রাক্তন সুপ্রিমো তথা প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার জন্মদিনে আচমকাই রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা করেন শশিকলা। নিজের নতুন দলের পতাকাও উন্মোচন করেন তিনি। সেখানে ছবি রয়েছে তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সি এন আন্নাদুরাই, এম জি রামচন্দ্রন এবং জয়ললিতার। জয়ললিতার মৃত্যুর পর দলের সাধারণ সম্পাদক পদে বসেছিলেন শশিকলা। তবে ‘আম্মা’র হিসাব বহির্ভুত সম্পত্তি মামলায় তাঁরও নাম জড়িয়ে যাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রচেষ্টা মুখ থুবড়ে পড়ে। চার বছরের জেল হওয়ায় ২০২৭ সাল পর্যন্ত শশিকলা নিজে ভোটে লড়তে পারবেন না। শশিকলা, দীনাকরন ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও পনিরসেলভামকে দল থেকে বহিষ্কার করে এআইআইডিএমকের রাশ দখলে নিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামী।