


মস্কো: যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন সরবরাহ করা নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে মস্কোর কোনও আলোচনা হয়নি। এই খবর ভিত্তিহীন। বিতর্কের আবহে সূত্র মারফৎ সামনে এল এমনই খবর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির জেরে কাছাকাছি এসেছে ভারত-চীন-রাশিয়া। ফলে এক নয়া অক্ষের সূচনার সম্ভাবনা নিয়ে গোটা বিশ্বে চর্চা শুরু হয়েছে। এরইমাঝে একটি তথ্যকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর শুরু হয়। শোনা যায়, পাকিস্তানের অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা চীনা যুদ্ধবিমান জেএফ-১৭-এর ইঞ্জিন সরবরাহ করতে চলেছে ভারতের ‘বন্ধু’ রাশিয়া। শনিবার সকালে এনিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ শানায় কংগ্রেস। হাত শিবিরের কটাক্ষ, জাতীয় স্বার্থকে উপেক্ষা করে নিজের ভাবমূর্তিতে তৈরিতে ব্যস্ত থাকেন নরেন্দ্র মোদি। নিজেকে কূটনীতির ‘মুখ’ হিসেবে প্রচার করেন। সাম্প্রতিক এই রিপোর্টই তাঁর ব্যর্থতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। যদিও রুশ সূত্র উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন সরবরাহ নিয়ে পুতিনের দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও চুক্তিই হয়নি।
পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক থ্রি ফাইটার জেটের জন্য আরডি-৯৩ এমএ ইঞ্জিন সরবরাহ করতে চলেছে রাশিয়া। এই খবর সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন - তাহলে কি দু’নৌকায় পা দিয়ে চলছেন পুতিন? একদিকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রেখে তেল বিক্রি করছেন আর অন্যদিকে অস্ত্র বেচে পাকিস্তানের সঙ্গেও গোপনে বন্ধুত্ব রেখেছেন। কিন্তু সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই ধরনের খবরের কোনও ভিত্তি নেই। রাশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের এনিয়ে কোনও চুক্তি হয়নি। এইমুহূর্তে পাকিস্তানের সঙ্গে রাশিয়ার এতটাও বন্ধুত্ব নেই যে তা ভারতের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।