কিয়েভ: সোমবার থেকেই নিঃশর্তে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে হবে। তারপরেই হবে যাবতীয় আলোচনা। রাশিয়াকে জোর গলায় এই বার্তা দিয়েছিল ইউক্রেন ও তার সঙ্গী রাষ্ট্রগুলি। ইতিমধ্যে সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে ক্রেমলিন। শুধু তাই নয়, রবিবার রাতে ফের ইউক্রেনে ড্রোন হামলা চালাল রুশ বাহিনী। সোমবার একথা জানিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছে কিয়েভ। এহেন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, তিন বছরব্যাপী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ কি থামবে? সারা বিশ্বই এখন এই প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পাল্টা জবাব দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদামির জেলেনস্কি। দু’পক্ষের লড়াইয়ে প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। গৃহহীন লক্ষাধিক। একাধিকবার শান্তি স্থাপনের চেষ্টা করেছে একাধিক রাষ্ট্র। তবে কোনও লাভ হয়নি। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বারবার যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরইমধ্যে শনিবার ইউক্রেনকে মুখোমুখি আলোচনায় বসার বার্তা দিয়েছিলেন পুতিন। বৃহস্পতিবার ইস্তানবুলে দুই রাষ্ট্রের প্রতিনিধির বৈঠকে বসার কথা। ক্রেমলিনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জনিয়েছেন জেলেনস্কি। পুতিনকে সরাসরি আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। মস্কোর
উপর চাপ বাড়িয়ে সোমবার টেলিগ্রামে জেলেনস্কির বার্তা, ‘ইউক্রেন এই যুদ্ধ থামানোর জন্য সবকিছু করছে। আশা করছি, রাশিয়া এক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ নেবে।’ জেলেনস্কির প্রস্তাব নিয়ে এখনও মন্তব্য করেনি ক্রেমলিন। -ফাইল চিত্র