


সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ফের ময়নাগুড়ি শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বেহাল নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে সরব হলেন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এর আগেও একই অবস্থা হয়েছিল। কাউন্সিলারকে বলেও কাজ না হওয়ায় সেসময় নিজেরাই টাকা দিয়ে নিকাশিনালা পরিষ্কার করা হয়। ফের একই অবস্থা। মশা-মাছির উপদ্রব হয়েছে। এবারও কাউন্সিলারকে জানানো হলেও কাজ হয়নি। তবে ওয়ার্ড কাউন্সিলার তুহিনকান্তি চৌধুরী বলেন, মাঝেমধ্যেই নিকাশিনালা পরিষ্কার করা হয়। ওয়ার্ডবাসী বিষয়টি জানিয়েছেন। ফের কাজ করা হবে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবছর ওয়ার্ডে একজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বাসিন্দারা জানান, ওয়ার্ডের দেবীনগর, মিলপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকার নিকাশিনালা পরিষ্কার করা হচ্ছে না। মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে। এবছরও ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে নিকাশিনালা পরিষ্কার করা হচ্ছে না। ফলে জমছে বর্জ্য। যার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিনা সাহা বলেন, নোংরা জল জমে রয়েছে। দিনের বেলাতেও মশার উপদ্রব বেড়েছে। শান্তা সাহা বলেন, আমরা চাইছি নিয়মিত নিকাশিনালা পরিষ্কার করা হোক।
বাসিন্দাদের দাবি, এর আগেও বেহাল নিকাশিনালা পুরসভার পক্ষ থেকে পরিষ্কার না করায় নিজেদের উদ্যোগেই তা করা হয়েছিল। পুরসভা থাকতেও কেন নিজেদের খরচে নিকাশিনালা পরিষ্কার করা হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। মিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা স্বরূপা দাস বলেন, আমরা নিজেদের উদ্যোগে এর আগে নিকাশিনালা পরিষ্কার করেছিলাম। কিন্তু নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত পুরসভার পক্ষ থেকে। কাউন্সিলারকেও জানিয়েও কাজ হয়নি।
তবে এ বিষয়ে কাউন্সিলার তুহিনকান্তি চৌধুরী বলেন, যে অভিযোগ আনা হচ্ছে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মাঝেমধ্যেই কিন্তু পরিষ্কার করা হয়। যেহেতু অভিযোগ এসেছে ফের নালাগুলি পরিষ্কার করা হবে। পুরসভার চেয়ারম্যান মনোজ রায় বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। ওয়ার্ডের বাসিন্দারা পুরসভায় জানালে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। • নিজস্ব চিত্র।