Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

উৎপাদন শিল্পের বহর বাড়লে প্রকৃত আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি সম্ভব, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

বিশ্বের বড় দেশগুলির ডিজিপি বৃদ্ধির হারের তুলনায় ভারতের বৃদ্ধির হার অনেক ভালো। কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বময় কর্তারা এমন দাবি করে আসেন বারবার।

উৎপাদন শিল্পের বহর বাড়লে প্রকৃত আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি সম্ভব, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
  • ২ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিশ্বের বড় দেশগুলির ডিজিপি বৃদ্ধির হারের তুলনায় ভারতের বৃদ্ধির হার অনেক ভালো। কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বময় কর্তারা এমন দাবি করে আসেন বারবার। কিন্তু সেই বৃদ্ধি কি সত্যিই ভারতীয় অর্থনীতিতে সামগ্রিক উন্নয়নের হাত ধরছে? এবার সেই প্রশ্নই তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রীর ইকনমিক অ্যাডভাইসরি কাউন্সিল বা অর্থনৈতিক উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য রাকেশ মোহন। ক্যালকাটা চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কোনও দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি তখনই যথাযথ হয়, যখন অন্যান্য ক্ষেত্রের পাশাপাশি উৎপাদন শিল্পও একইভাবে এগিয়ে যায়। ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হলেও এখানে উৎপাদন শিল্প অনেকটা পিছিয়ে পড়ছে। এটা ভারতের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। যতক্ষণ না এই শিল্পের বৃদ্ধির হার যথাযথ হবে, ততদিন অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছবে না। শুধুমাত্র পরিষেবা শিল্পের অগগ্রতি দেশের সার্বিক উন্নতি করতে পারে না, মত এই অর্থনীতিবিদের। উৎপাদন শিল্পে পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ পর্যাপ্ত জমি এবং তার দাম, মনে করেন তিনি। এদেশের কর্মীবহুল শিল্প গঠন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ডেপুটি গভর্নর রাকেশ মোহন। তিনি বলেন, এদেশে যেকোনও সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বিপুল পরিমাণ আবেদন জমা পড়ে। এর অন্যতম কারণ শিল্পক্ষেত্রে পর্যাপ্ত কাজের জায়গা তৈরি না-হওয়া। ভারত শ্রমিক নির্ভর দেশ। এখানে কাজের মানুষ প্রচুর। কিন্তু তাঁদের কাজে লাগানোর মতো পর্যাপ্ত শিল্প নেই। বরং রপ্তানিনির্ভর শিল্পের প্রতি ঝোঁক বাড়ছে। অর্থনীতিবিদের আক্ষেপ, দেশে শিল্পমহল গবেষণায় বেশি টাকা ঢালতে চায় না। ফলে নতুন কিছু করার প্রবণতা কম। চীন গবেষণা খাতে খরচ বাড়িয়ে অনেকটা এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ