নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রবীণ নাগরিকদের টিকিটে ছাড় বন্ধই করে রেখেছে রেল। এই ব্যাপারে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সোচ্চার হলেই সব শ্রেণির যাত্রীর জন্য ভর্তুকি প্রদানের যুক্তি দিচ্ছে মন্ত্রক। প্রবীণ নাগরিকরা ট্রেনের টিকিটে কনসেশন পাচ্ছেন না ঠিকই। কিন্তু প্রাক্তন সাংসদদের রেল ভাড়া মিটিয়ে দিতে কোটি কোটি টাকা খরচ করে চলেছে মোদি সরকার। শুধুমাত্র ২০২২-২৩ আর্থিক বছরেই প্রাক্তন সাংসদদের রেল ভাড়া মেটানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের খরচ হয়েছে ২ কোটি ২৪ লক্ষ ২২ হাজার ২৪৬ টাকা। গত ১ মে এই সংক্রান্ত এক আরটিআইয়ের জবাবে উল্লিখিত তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে এই খাতে কত খরচ হয়েছে, নির্দিষ্ট করে তার পরিমাণ জানাতে পারেনি মোদি সরকার। কারণ পরবর্তী দুই অর্থবর্ষের বিল এখনও কেন্দ্রের কাছে এসে পৌঁছয়নি। তথ্য জানার অধিকার (আরটিআই) আইনে এই ইস্যুতে বিগত তিনটি আর্থিক বছরের হিসেব চেয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা চন্দ্রশেখর গৌড়। একইসঙ্গে ওই আরটিআইয়ের জবাবে অবশ্য এও বলা হয়েছে যে, লোকসভার পে-অ্যান্ড-অ্যাকাউন্টস অফিস থেকে জমা পড়া বিলের প্রেক্ষিতে টাকা মেটানো হয়। অর্থাৎ, ‘অ্যাকচুয়াল ডিসবার্সমেন্ট’এর দায়িত্বে থাকে লোকসভার ‘পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস’ অফিস। সংশ্লিষ্ট হিসেব জমা পড়া বিলের উপর নির্ভর করে পেশ করা হয়েছে।



