Bartaman Logo
১ জুন, ২০২৬

ঘোষণার দু’সপ্তাহের মধ্যেই ডানকুনি-সুরাত পণ্যবাহী করিডর নিয়ে পদক্ষেপ রেলমন্ত্রকের

নজরে বাংলার গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচন। আর তাই সাধারণ বাজেটে ঘোষণার দু’সপ্তাহের মধ্যে ডানকুনি থেকে সুরাত ডেডিকেটেড পণ্যবাহী করিডর নিয়ে পদক্ষেপ করল রেলমন্ত্রক।

ঘোষণার দু’সপ্তাহের মধ্যেই ডানকুনি-সুরাত পণ্যবাহী করিডর নিয়ে পদক্ষেপ রেলমন্ত্রকের
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নজরে বাংলার গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচন। আর তাই সাধারণ বাজেটে ঘোষণার দু’সপ্তাহের মধ্যে ডানকুনি থেকে সুরাত ডেডিকেটেড পণ্যবাহী করিডর নিয়ে পদক্ষেপ করল রেলমন্ত্রক। সরকারি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার এসংক্রান্ত বিষয়ে রেল বোর্ডের আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ডানকুনি এবং সুরাতের মধ্যে ২ হাজার ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ডেডিকেটেড পণ্যবাহী করিডর তৈরি হবে। পশ্চিমবঙ্গ এবং গুজরাতের পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, ছত্তিশগড় ও মহারাষ্ট্রের মানুষ এর ফলে উপকৃত হবেন। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ডেডিকেটেড পণ্যবাহী করিডরের কাজ শেষ করার জন্য তাঁদের নির্দেশও দিয়েছেন। পাশাপাশি রেলমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতি সপ্তাহে উল্লিখিত প্রকল্পের অগ্রগতি সংক্রান্ত তাঁর কাছে জমা দিতে হবে। 

Advertisement

শুধুমাত্র ডানকুনি-সুরাত ডিএফসি প্রকল্পই নয়, ভোটের ‘ভেট’ হিসাবে বৃহস্পতিবার বাংলার জন্য একসঙ্গে একটি রোড-ওভারব্রিজ (আরওবি) এবং পাঁচটি প্যাসেঞ্জার হল্টের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রক। এদিন রেলমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনে মালাহার হল্ট এবং সামসির মধ্যে ওই রোড-ওভারব্রিজ তৈরি হবে। এর জন্য অনুমোদিত হয়েছে মোট ১৭৬ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে, যে পাঁচটি প্যাসেঞ্জার হল্টের সিদ্ধান্ত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হল পাঁশকুড়া-দীঘা লাইনে চণ্ডীপুর হল্ট। কালীকাখালি এবং লবণ সত্যাগ্রহ স্মারক স্টেশনের মাঝে ওই হল্ট হবে। এরই পাশাপাশি পুরুলিয়া-গৌরিনাথধামের মাঝে থাকবে সিধু-কানু ইউনিভার্সিটি হল্ট। আদ্রা ডিভিশনের রাধাগাঁও-পুন্ডাগের মাঝে সিধি জামরা হল্ট ও ভদ্রপুর-লালগোলা শাখার মাঝে নশিপুর হল্ট তৈরিতে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রক। রেল জানিয়েছে যে, এর ফলে মুর্শিদাবাদ এবং জিয়াগঞ্জের মধ্যে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুগম হবে। পাশাপাশি হাওড়া-গোঘাট শাখায় জঙ্গলপাড়াতেও তৈরি হবে হল্ট স্টেশন। রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় মানুষ এসংক্রান্ত দাবি করছিলেন। তাঁদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই পশ্চিমবঙ্গের সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ