


নয়াদিল্লি: ‘স্বামীর নামে একটি স্টেডিয়াম তৈরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও তা হয়নি। গালাউটি রোডে স্মারক গেট নির্মাণের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই কাজও সম্পূর্ণ হয়নি।’ ওড়নায় চোখ মুছতে মুছতে বলছিলেন শহিদ সিআরপিএফ জওয়ান জয়মল সিংয়ের স্ত্রী সুখজিৎ কাউর। ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। সাত বছর আগে এই দিনেই জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ হন ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান। কেউ স্বামী হারিয়েছিলেন। কেউ হারিয়েছিলেন সন্তান। সেই ক্ষত এখনও তাজা। সরকারের তরফে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্ত তার অনেকগুলিই এখনও পূরণ হয়নি। হামলার সপ্তম বর্ষে শহিদ জওয়ানদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যে সেই আক্ষেপই ধরা পড়ল। শহিদ সুখজিন্দর সিংয়ের ভাই গুরজন্ত সিংও বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই দাদার নামে সরকারি স্কুলের নামকরণের দাবি জানিয়ে আসছি। দাদাকে উৎসর্গ করা স্টেডিয়ামের কাজটাও যেন দ্রুত সম্পূর্ণ করা হয়।’
শনিবার শহিদদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘পুলওয়ামায় শহিদ জওয়ানদের দেশপ্রেম, সংকল্প চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘পুলওয়ামায় শহিদ জওয়ানদের স্যালুট জানাই।’ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘২০১৯ সালে আজকের দিনে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে কালো অধ্যায়ের সাক্ষী হয়েছিল ভারত। শহিদ জওয়ানদের এই আত্মত্যাগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গে। রাহুলের বার্তা, ‘শহিদদের প্রতি চিরকাল ঋণী থাকবে দেশ।’