Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

ডাকঘর এজেন্টদের থেকে বিমার জন্য আদায় করা হচ্ছে বেশি টাকা

ডাকঘরের এজেন্ট হিসেবে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের প্রতি তিন বছর অন্তর এজেন্সি নবীকরণ করতে হয়। এক্ষেত্রে প্রতিবারই একটি বিমা পলিসি কিনতে বা নবীকরণ করতে হয় এজেন্টদের।

ডাকঘর এজেন্টদের থেকে বিমার জন্য আদায় করা হচ্ছে বেশি টাকা
  • ২৪ জুন, ২০২৫ ১৫:০৬
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডাকঘরের এজেন্ট হিসেবে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের প্রতি তিন বছর অন্তর এজেন্সি নবীকরণ করতে হয়। এক্ষেত্রে প্রতিবারই একটি বিমা পলিসি কিনতে বা নবীকরণ করতে হয় এজেন্টদের। ওই বিমার প্রিমিয়াম জমা করতে হয় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থায়। এদিকে রাজ্য অর্থ দপ্তরের আওতায় থাকা ক্ষুদ্র সঞ্চয় বিভাগ এজেন্সি প্রদান বা তার নবীকরণের দায়িত্ব সামলায়। বিমার প্রিমিয়াম জমা হওয়ার পরই তারা এজেন্টদের প্রতি তিন বছর অন্তর এজেন্সি প্রদান বা নবীকরণ করে থাকে। বিমার অঙ্ক কত হবে, তা স্থির করা থাকে আগে থেকেই। অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন অঙ্কের প্রিমিয়াম নেওয়া হচ্ছে। যে প্রিমিয়ামের অঙ্ক আগে থেকেই স্থির হয়ে রয়েছে, বহু ক্ষেত্রেই তার চেয়ে বেশি অঙ্কের প্রিমিয়াম জমা করতে বাধ্য করছেন বিমা সংস্থার কর্মীরা। 

Advertisement

ডাকবিভাগের এজেন্টদের দু’রকমের এজেন্সি আছে। স্ট্যান্ডার্ডাইজড এজেন্সি সিস্টেমের জন্য প্রিমিয়াম জমা হওয়ার কথা ১০০ টাকা। মহিলা প্রধান ক্ষেত্রীয় বচত যোজনার জন্য প্রিমিয়াম জমা হওয়ার কথা ২৫০ টাকার। এর উপর জিএসটি প্রযোজ্য। অভিযোগ, রাজ্যের নানা প্রান্তে ৩০০ থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা পর্যন্ত প্রিমিয়াম নেওয়া হচ্ছে। 
ওয়েস্ট বেঙ্গল স্মল সেভিংস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাস বলেন, প্রিমিয়ামের টাকা যে বেশি নেওয়া হচ্ছে, সেই বিষয়ে রাজ্য ক্ষুদ্র সঞ্চয় বিভাগও অবগত। তারা গত বছরই লিখিতভাবে এই বিষয়ে সাবধান করেছে সংশ্লিষ্ট বিমা সংস্থাটিকে। ২০১৯ সাল থেকেই প্রিমিয়ামের কোনও পরিবর্তন হয়নি, তারপরও কোথাও কোথাও বেশি প্রিমিয়াম নেওয়া হচ্ছে। সেটা যাতে না হয়, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার কথা বলা হয়েছে। তাঁর দাবি, এবছরও যেমন খুশি প্রিমিয়াম চাওয়া হচ্ছে এজেন্টদের থেকে। তাতে বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার এজেন্ট। সংশ্লিষ্ট সংস্থা অবশ্য এই নিয়ে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। 

সম্পর্কিত সংবাদ