নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: কালনায় সরস্বতী ঠাকুর দেখতে জনতার ঢল নামল। তাই রাস্তায় যানবাহনের চাপ সামাল দিতে শান্তিপুর থেকে বাইক এবং প্রাইভেট গাড়ি ভেসেলে পারাপার বন্ধ করল প্রশাসন। সোমবার সকালে আচমকা নদী পারাপার করতে এসে বিপাকে পড়েন বহু মানুষ। আগে থেকে না জানিয়ে আচমকা পারাপার বন্ধ হওয়ায় ক্ষুব্ধ অফিস যাত্রী থেকে নিত্যযাত্রীরা। সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই নির্দেশিকা কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমানের অম্বিকা কালনায় রীতিমতো ধুমধাম করে হয় বিদ্যাদেবীর আরাধনা। সেই আয়োজন দেখতে শান্তিপুর থেকে বহু মানুষ যান কালনায়। ভেসেলে পারাপারের সুবিধা থাকায় বাইক অথবা প্রাইভেট গাড়ি নিয়ে ইদানীংকালে কালনা যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। আর তাতেই যানবাহনের চাপ সামাল দিতে প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার জোগাড় ওপারের কালনা থানা ও ট্রাফিক গার্ডের। তাই সোমবার সকালে ফেরি অথবা ভেসেলে বাইক এবং প্রাইভেট গাড়ি বন্ধ করা নিয়ে একটি নির্দেশিকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়। তাতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কালনা পুলিস প্রশাসনের নির্দেশে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাইক ও গাড়ি পারাপার বন্ধ থাকবে। যদিও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য লঞ্চ পরিষেবা স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে। কিন্তু নিত্যযাত্রী ও অফিস যাত্রীদের অভিযোগ, এই নির্দেশিকা পূর্বেই ঘোষণা করা যেত।
কিন্তু তার পরিবর্তে, সোমবার সকালে ঘাট পারাপার করতে এসে তাঁরা দেখতে পান নির্দেশিকা টাঙানো হয়েছে। ফলে চূড়ান্ত সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় তাঁদের। কারণ অনেককেই অফিসে যাতায়াতের জন্য গাড়ি নিয়ে গঙ্গা পারাপার করতে হয়। কেবল লঞ্চ পরিষেবা চললেও তাতে তাঁদের প্রয়োজন মিটবে না। আগে থেকে নির্দেশিকা না দিয়ে এইভাবে পারাপার বন্ধের সিদ্ধান্তকে কঠোর সমালোচনা করেছেন তাঁরা। বিপ্লব বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমার অফিস বৈঁচি। আমি কালনাঘাট পার করে বাইক নিয়ে সেখানে যাই। সোমবার সকালে হঠাৎ এসে শুনছি, এই নির্দেশিকা জারি হয়েছে। এখন বাইকটা কোথায় রেখে যাব, আর ওপারে গিয়ে বৈঁচি পর্যন্ত অফিসেই বা কীভাবে পৌঁছব? অব্যবস্থার একটা সীমা থাকা উচিত।
শেখ শাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমার বাড়ি পাণ্ডুয়াতে। রবিবার একটি কাজে এসেছিলাম শান্তিপুর। সোমবার সকালে বাইক নিয়ে ফিরে যাওয়ার কথা। কিন্তু ঘাটে এসে দেখতে পাচ্ছি বাইক পারাপার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন আমি গাড়ি নিয়ে কীভাবে ফিরব? আগের দিন এই নির্দেশিকা জানা থাকলে বিকল্প ব্যবস্থা করা যেত। তাপস মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমাকে চিকিৎসার জন্য ওপারে যেতেই হবে। গাড়ি না নিয়ে গেলে রোগীকে কী করে নিয়ে যাব?
বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট জেলা পুলিস প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, আমাদের কাছে নির্দেশিকা এসেছে কালনায় গাড়ির চাপ প্রচণ্ড বেড়ে যাচ্ছে। ফলে এই মুহূর্তে এদিক থেকে তারা গাড়ি নিতে পারছে না। সে নির্দেশিকা আসার পর মানুষের যাতায়াত বাদ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গাড়ি পারাপার। সম্পূর্ণ নির্দেশিকাই ওইদিক থেকে এসেছে। অন্য নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত ৬ তারিখ পর্যন্ত এই পদ্ধতিতেই ফেরি পরিষেবা চলবে।
কিন্তু তার পরিবর্তে, সোমবার সকালে ঘাট পারাপার করতে এসে তাঁরা দেখতে পান নির্দেশিকা টাঙানো হয়েছে। ফলে চূড়ান্ত সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় তাঁদের। কারণ অনেককেই অফিসে যাতায়াতের জন্য গাড়ি নিয়ে গঙ্গা পারাপার করতে হয়। কেবল লঞ্চ পরিষেবা চললেও তাতে তাঁদের প্রয়োজন মিটবে না। আগে থেকে নির্দেশিকা না দিয়ে এইভাবে পারাপার বন্ধের সিদ্ধান্তকে কঠোর সমালোচনা করেছেন তাঁরা। বিপ্লব বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমার অফিস বৈঁচি। আমি কালনাঘাট পার করে বাইক নিয়ে সেখানে যাই। সোমবার সকালে হঠাৎ এসে শুনছি, এই নির্দেশিকা জারি হয়েছে। এখন বাইকটা কোথায় রেখে যাব, আর ওপারে গিয়ে বৈঁচি পর্যন্ত অফিসেই বা কীভাবে পৌঁছব? অব্যবস্থার একটা সীমা থাকা উচিত।
শেখ শাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমার বাড়ি পাণ্ডুয়াতে। রবিবার একটি কাজে এসেছিলাম শান্তিপুর। সোমবার সকালে বাইক নিয়ে ফিরে যাওয়ার কথা। কিন্তু ঘাটে এসে দেখতে পাচ্ছি বাইক পারাপার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন আমি গাড়ি নিয়ে কীভাবে ফিরব? আগের দিন এই নির্দেশিকা জানা থাকলে বিকল্প ব্যবস্থা করা যেত। তাপস মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমাকে চিকিৎসার জন্য ওপারে যেতেই হবে। গাড়ি না নিয়ে গেলে রোগীকে কী করে নিয়ে যাব?
বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট জেলা পুলিস প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, আমাদের কাছে নির্দেশিকা এসেছে কালনায় গাড়ির চাপ প্রচণ্ড বেড়ে যাচ্ছে। ফলে এই মুহূর্তে এদিক থেকে তারা গাড়ি নিতে পারছে না। সে নির্দেশিকা আসার পর মানুষের যাতায়াত বাদ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গাড়ি পারাপার। সম্পূর্ণ নির্দেশিকাই ওইদিক থেকে এসেছে। অন্য নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত ৬ তারিখ পর্যন্ত এই পদ্ধতিতেই ফেরি পরিষেবা চলবে।



