


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: জঙ্গিদের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র চলে যাচ্ছে? নাকি ইতিমধ্যেই চলে গিয়েছে? পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা, সংঘাত এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা প্রকট হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের আবহে রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে এমনই আশঙ্কা রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে বিভিন্ন দেশের কাছে। আল কায়েদা থেকে হামাস, হুথি বা লস্করের মতো জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির হাতে জৈব এবং রাসায়নিক অস্ত্র চলে যেতে পারে কি না, তা নিয়েও কেমিক্যাল ওয়েপন কনভেনশনেও এনিয়ে চলল জোর চর্চা।
গত ১ জুলাই থেকে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত হয় তিন দিনের এই কনভেনশন। ভারত ও চীন সহ এশিয়ার ২৩টি দেশ উপস্থিত থাকলেও গরহাজির পাকিস্তান। যদিও অন্যতম সদস্য হিসেবে বৈঠকে যোগ দেয় অস্ট্রেলিয়া। জানা গিয়েছে, সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিরা রাসায়নিক অস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থায় আরও সমন্বয় গড়ে তোলার উপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো গঠন, রাসায়নিক অস্ত্র নির্মাণের গোপন কোনও অ্যাজেন্ডায় নজরদারি, কোনও দেশের সঙ্গে জঙ্গিদের সম্পর্ক একপ্রকার রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিণত হচ্ছে কি না (যা নাম না করে পাকিস্তানের দিকেই ইঙ্গিত করে), সেই সমস্ত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকে ন্যাশনাল অথরিটি কেমিক্যাল ওয়েপন কনভেনশনের সদস্যদের নিয়ে
একটি নেটওয়ার্ক তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। যা প্রধানত গোপন ইন্টেলিজেন্স আদানপ্রদান করবে। অর্থাৎ কোনও দেশে যদি রাসায়নিক অস্ত্রের সামান্যতম সন্ধান মেলে, তাহলে তৎক্ষণাৎ সেই তথ্য জানতে পারবে সদস্য দেশগুলি। এর মধ্যে দিয়ে রাসায়নিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করা যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।