চণ্ডীগড়: হাতে হাতকড়া, পায়ে বেড়ি। দিন কয়েক আগে এভাবেই শতাধিক অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছিল আমেরিকা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমেরিকা সফর সেরে ফেরার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় আরও ১১৯ জনকে নিয়ে অমৃতসরে নামল বিশেষ মার্কিন বিমান। শনিবার রাত ১১টা ৪০ নাগাদ মার্কিন সেনার সি-১৭ বিমানটি অমৃতসর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আজ, রবিবার, আরও ১৫৭ জন ভারতে ফিরে আসবেন হবে বলে জানা গিয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে মার্কিন বিমানের পরপর অমৃতসরে অবতরণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। তাঁর অভিযোগ, পাঞ্জাবকে বদনাম করার চক্রান্ত করে চলেছে মোদি সরকার। এটি তারই
Advertisement
অঙ্গ। এমনভাব করা হচ্ছে, যেন পাঞ্জাবের বাসিন্দারাই শুধু অবৈধভাবে আমেরিকা যায়।
এদিন যে ১১৯ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাঁদের মধ্যে ৬৭ জন পাঞ্জাব এবং ৩৩ জন হরিয়ানার বাসিন্দা। বাকি ১৯ জনের মধ্যে গুজরাত (৮), উত্তরপ্রদেশ (৩), গোয়া (২), মহারাষ্ট্র (২), রাজস্থান (২), হিমাচলপ্রদেশ (১) ও জম্মু-কাশ্মীরের (১) বাসিন্দাও রয়েছেন। এই দফায় চার মহিলা ও দুই নাবালককেও ফেরত পাঠিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রথম দফায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি ১০৪ জন অবৈধ অভিবাসী ভারতীয়কে নিয়ে অমৃতসরে নেমেছিল বিশেষ মার্কিন সেনা বিমান। তাঁদের মধ্যে ৩৩ জন করে ছিলেন হরিয়ানা ও গুজরাতের বাসিন্দা। ৩০ জন পাঞ্জাবের।
অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে ফেরা মার্কিন বিমান দু’বারই কেন অমৃতসরে নামবে? অন্য কোনও শহর নয় কেন? প্রশ্ন তোলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের সরকার চিরকাল পাঞ্জাবকে বঞ্চিত করছে। রাজ্যের সম্মানহানির কোনও সুযোগ তারা ছাড়ছে না। চক্রান্তের অঙ্গ হিসেবে তারা পাঞ্জাব ও পাঞ্জাবিদের অসম্মান করার চেষ্টা করছে।’ তাঁর আরও সংযোজন, বিদেশ থেকে বেআইনি অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি জাতীয় ইস্যু। অথচ এটাকে এমন ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে যে, শুধুমাত্র পাঞ্জাবিরাই বেআইনি অভিবাসী। এই ইস্যুতে মানের পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস। দলের নেতা মণীশ তিওয়ারি শনিবার বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের যে কোনও প্রান্তে বিমান অবতরণ করাতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র পাঞ্জাবকে বিব্রত করার লক্ষ্যে অমৃতসর বিমানবন্দরকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। শিরোমণি অকালি দলের নেতা গুলজার সিং রানিকেও এই ইস্যুতে কেন্দ্রকে একহাত নিয়েছেন। তাঁরও অভিযোগ, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে কেন্দ্র সবসময় পাঞ্জাবকেই অপবাদ দিতে চায়। অবশ্য এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে বিজেপি। এনিয়ে অহেতুক রাজনীতি করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা তরুণ চুঘ।
এদিন যে ১১৯ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাঁদের মধ্যে ৬৭ জন পাঞ্জাব এবং ৩৩ জন হরিয়ানার বাসিন্দা। বাকি ১৯ জনের মধ্যে গুজরাত (৮), উত্তরপ্রদেশ (৩), গোয়া (২), মহারাষ্ট্র (২), রাজস্থান (২), হিমাচলপ্রদেশ (১) ও জম্মু-কাশ্মীরের (১) বাসিন্দাও রয়েছেন। এই দফায় চার মহিলা ও দুই নাবালককেও ফেরত পাঠিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রথম দফায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি ১০৪ জন অবৈধ অভিবাসী ভারতীয়কে নিয়ে অমৃতসরে নেমেছিল বিশেষ মার্কিন সেনা বিমান। তাঁদের মধ্যে ৩৩ জন করে ছিলেন হরিয়ানা ও গুজরাতের বাসিন্দা। ৩০ জন পাঞ্জাবের।
অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে ফেরা মার্কিন বিমান দু’বারই কেন অমৃতসরে নামবে? অন্য কোনও শহর নয় কেন? প্রশ্ন তোলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের সরকার চিরকাল পাঞ্জাবকে বঞ্চিত করছে। রাজ্যের সম্মানহানির কোনও সুযোগ তারা ছাড়ছে না। চক্রান্তের অঙ্গ হিসেবে তারা পাঞ্জাব ও পাঞ্জাবিদের অসম্মান করার চেষ্টা করছে।’ তাঁর আরও সংযোজন, বিদেশ থেকে বেআইনি অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি জাতীয় ইস্যু। অথচ এটাকে এমন ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে যে, শুধুমাত্র পাঞ্জাবিরাই বেআইনি অভিবাসী। এই ইস্যুতে মানের পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস। দলের নেতা মণীশ তিওয়ারি শনিবার বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের যে কোনও প্রান্তে বিমান অবতরণ করাতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র পাঞ্জাবকে বিব্রত করার লক্ষ্যে অমৃতসর বিমানবন্দরকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। শিরোমণি অকালি দলের নেতা গুলজার সিং রানিকেও এই ইস্যুতে কেন্দ্রকে একহাত নিয়েছেন। তাঁরও অভিযোগ, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে কেন্দ্র সবসময় পাঞ্জাবকেই অপবাদ দিতে চায়। অবশ্য এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে বিজেপি। এনিয়ে অহেতুক রাজনীতি করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা তরুণ চুঘ।



