Bartaman Logo
৪ জুন, ২০২৬

‘নীতীশ-বিজেপিকে ভোট নয়’ , বিহার নির্বাচনের আগে প্রচার কৃষকদের

এবার বিহার। বিজেপি এবং জেডিইউকে একটি ভোটও দেবেন না। বিহার নিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ঠিক এই মর্মেই রাজ্যজুড়ে প্রচার আন্দোলন শুরু করছেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা।

‘নীতীশ-বিজেপিকে ভোট নয়’ , বিহার নির্বাচনের আগে প্রচার কৃষকদের
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এবার বিহার। বিজেপি এবং জেডিইউকে একটি ভোটও দেবেন না। বিহার নিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ঠিক এই মর্মেই রাজ্যজুড়ে প্রচার আন্দোলন শুরু করছেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। গত বছর লোকসভা নির্বাচনের আগে একইভাবে সারা দেশেই মোদি বিরোধিতায় প্রচার আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন কৃষকরা। কেন্দ্রে ফের মোদি সরকার ক্ষমতায় এসেছে ঠিকই। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানার মতো কয়েকটি বিজেপি শাসিত রাজ্যে কৃষকদের লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচির জেরে রীতিমতো ধাক্কা খেতে হয়েছিল গেরুয়া শিবিরকে। বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে কার্যত একইভাবে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করতে চলেছেন কৃষকরা। 

Advertisement

বিহার বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে এখনও ঢের দেরি। তবুও মনে করা হচ্ছে যে, চলতি বছরের নভেম্বর মাসেই নির্বাচন হতে পারে বিহারে। ফলে সেইমতোই পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে আন্দোলনকারী কৃষক সংগঠনগুলি। রবিবার রাতে দিল্লিতে সংযুক্ত কিষান মোর্চার একটি বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যব্যাপী অন্তত ১০টি মেগা কিষান মহাপঞ্চায়েতের আয়োজন করা হবে। প্রতিটি কৃষক সম্মেলনেই রাজ্যের সাধারণ মানুষকে আর্জি জানানো হবে যাতে, তারা বিজেপি, জেডিইউ তথা এনডিএকে কোনও ভোট না দেন। রবিবার দিল্লিতে বৈঠকের পর সোমবার এই সংক্রান্ত ঘোষণা করেছে সংযুক্ত কিষান মোর্চা। 
কৃষকদের এই বিজেপি বিরোধিতায় সর্বাত্মকভাবে বিহারে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক নিঃসন্দেহে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে চলেছে নীতীশ কুমারের দলের। কপালের ভাঁজ বৃদ্ধি পেতে চলেছে বিহার বিজেপিরও। কারণ বিহারে কৃষকদের ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে যথেষ্টই। তাদের জনভিত্তির উপর সব পার্টিকেই কমবেশি নির্ভর করতে হয়। একইসঙ্গে আন্দোলনকারী কৃষক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, শুধুমাত্র ১০টি মহাপঞ্চায়েত করেই থেমে যাওয়া নয়। ভোট পর্যন্ত বিহারের বিধানসভা আসন ধরে বিজেপি বিরোধী প্রচার কর্মসূচি চালানো হবে। কৃষক স্বার্থে বিজেপি তথা গেরুয়া শিবির যে বিশেষ কিছুই করেনি, তা বোঝাতে রাজ্যের মানুষের হাতে বিলি করা হবে লিফলেট। অর্থাৎ, সিঁদুরে মেঘই দেখছে গেরুয়া শিবির। 

সম্পর্কিত সংবাদ