Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

স্বর্ণমন্দিরে সমরাস্ত্র রাখার অনুমতি দেওয়া হয়নি, জানাল কর্তৃপক্ষ

পাক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোকাবিলার জন্য অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে মোতায়েন করা হয়েছিল বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। রাখা ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী বন্দুক সহ অন্যান্য সমরাস্ত্র।

স্বর্ণমন্দিরে সমরাস্ত্র রাখার অনুমতি দেওয়া হয়নি, জানাল কর্তৃপক্ষ
  • ২১ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

অমৃতসর: পাক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোকাবিলার জন্য অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে মোতায়েন করা হয়েছিল বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। রাখা ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী বন্দুক সহ অন্যান্য সমরাস্ত্র। শিখ সম্প্রদায়ের পবিত্র এই মন্দিরে অস্ত্র রাখার অনুমতি নাকি দিয়েছিলেন মন্দিরের প্রধান গ্রন্থী জ্ঞানী রঘবীর সিং। গত সোমবার এক সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করেছিলেন বায়ুসেনা আধিকারিক লেফটেন্যান্ট সুমের ইভার ডি’কুনহা। তারপরই বিতর্কের পারদ চড়তে থাকে। এই পরিস্থিতিতে একদিন পরেই বায়ুসেনা আধিকারিকের মন্তব্য খারিজ করলেন মন্দিরের প্রধান গ্রন্থী। জানিয়েছেন, সেনার তরফে কেউ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। সেনাকর্তার দাবির তদন্ত হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

Advertisement

অপারেশন সিন্দুরের জবাবে একাধিকবার অমৃতসরকে ‘টার্গেট’ করেছিল পাকিস্তান। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাক্ষাৎকারে লেফটেন্যান্ট সুমের বলেছিলেন, ‘স্বর্ণমন্দিরের প্রধান গ্রন্থী আমাদের বন্দুক রাখার অনুমতি দিয়েছিলেন। বহু বছর পর সম্ভবত প্রথমবার স্বর্ণমন্দিরের আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সে জন্যই পাক ড্রোন দেখতে পেয়েছিলাম আমরা।’ তবে এই দাবিকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করেছেন প্রধান গ্রন্থী স্বয়ং। তিনি বলেছেন, ‘আমার সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেননি। আমি বিদেশ ভ্রমণে গিয়েছিলাম। এই দাবির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চাই। এর নেপথ্যে সেনাবাহিনীর আসল উদ্দেশ্য কী, তা জানা প্রয়োজন।’ শিখদের অন্যতম শীর্ষ ধর্মীয় সংগঠন এসজিপিসির তরফে জ্ঞানী অমরজিৎ সিংও সেনাকর্তার দাবিকে নস্যাৎ করেছেন। তিনি বলেন, ‘সেনা আধিকারিক কেন এমন দাবি করলেন, তা তিনি নিজেই বলতে পারবেন।’  

সম্পর্কিত সংবাদ