Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গণেশ পুজোর মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপন মালঞ্চার ডাইং গ্রামে

তপনের মালঞ্চা অঞ্চলের ডাইং গ্রামে এবছরও বৈশাখের প্রথম প্রহরে পালিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ। এখানকার দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী, নববর্ষের সূচনা হয় গণেশ পুজোর মধ্য দিয়ে।

গণেশ পুজোর মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপন মালঞ্চার ডাইং গ্রামে
  • ১৫ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০

মেহবুব হোসেন সরকার তপন: তপনের মালঞ্চা অঞ্চলের ডাইং গ্রামে এবছরও বৈশাখের প্রথম প্রহরে পালিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ। এখানকার দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী, নববর্ষের সূচনা হয় গণেশ পুজোর মধ্য দিয়ে। তিনদিনব্যাপী এই উৎসবকে ঘিরে গ্রামে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হয় বিশাল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বহিরাগত শিল্পীরাও সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। স্থানীয় হাইস্কুল ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও অংশ নেয় নানা সাংস্কৃতিক উপস্থাপনায়। উৎসবপ্রাঙ্গণে জড়ো হন গ্রামবাসী সহ আশপাশের বহু মানুষ। দ্বিতীয় দিনে মূল আকর্ষণ থাকবে বাউল সঙ্গীতের অনুষ্ঠান। সন্ধ্যার পর থেকে বাউলগানের আসরে একের পর এক সুরেলা পরিবেশনা করবেন স্থানীয় ও বহিরাগত বাউল শিল্পীরা। 

Advertisement

বিগত বছরগুলিতে খমক, দোতারা আর একতারার সুরে ভরে ওঠে পুরো এলাকা। দর্শক-শ্রোতারা হারিয়ে যান আধ্যাত্মিক ও মানবতার বার্তায় ভরা গানে। তৃতীয় দিনে ভোর থেকে শুরু হয় নাম সংকীর্ত্তন। এরপর গণেশ ঠাকুরকে ভোগ নিবেদন এবং ভোগ বিতরণের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। ছোট থেকে বড়, সকলেই নতুন পোশাক পরে অংশ নেন এই অনুষ্ঠানে। 
ডাইং গ্রামে বাংলা নববর্ষ ঘিরে এই উৎসব কেবল ধর্মীয় নয়, বরং এটি এলাকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। নববর্ষের সূচনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই উৎসবমুখর পরিবেশ বছরের শুরুটাকে করে তোলে আনন্দ ও সম্প্রীতির এক অপূর্ব উপলক্ষ্য।
এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা গৌতম বর্মন বলেন, আমরা নববর্ষের সূচনাই করি গণেশ পুজোর মধ্য দিয়ে। তিনদিনব্যাপী বিরাট উৎসবের আয়োজন করা হয় যার মাধ্যমে নববর্ষের আগমন এলাকাবাসীরা টের পায়। বিগত বছরের মতো এবারও নিয়ম মেনেই একই ভাবে তিনদিন চলবে অনুষ্ঠান।  ফাইল চিত্র।

সম্পর্কিত সংবাদ