


নয়াদিল্লি: সিমকার্ড স্মার্টফোনে সক্রিয় থাকলে তবেই ওই নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে—এমনই ব্যবস্থা করতে পেরেন্ট সংস্থা মেটাকে নির্দেশ দিয়েছিল ভারত সরকারের টেলিকমিউনিকেশন দপ্তর (ডিওটি)। গত ২৮ নভেম্বর ওই নির্দেশিকা জারির পর কেটে গিয়েছে প্রায় তিনমাস। বুধবারই কেন্দ্রীয় টেলিকমমন্ত্রী জ্যোতিরাদ্যিত সিন্ধিয়া জানিয়ে দিয়েছেন, সিম-বাইন্ডিং বিধিতে কোনো বদল আসবে না। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তা সবার আগে। ফলে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং সিগনালের মতো মেসেজিং অ্যাপগুলিকে এই ব্যবস্থা কার্যকর করতেই হবে। ডেডলাইন আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। আর বৃহস্পতিবারই দেখা গেল, কেন্দ্রের সেই নির্দেশিকা কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। ইতিমধ্যে বিটা ভার্সনে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থার দেখা মিলেছে। জানা যাচ্ছে, আগামী ১ মার্চ নতুন নিয়ম চালু করবে মেসেজিং সংস্থাটি। অর্থাৎ, সেদিন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে হলে সংশ্লিষ্ট নম্বরের সিমকার্ডটি স্মার্টফোনে থাকতেই হবে। এছাড়া একটানা হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবও ব্যবহার করা যাবে না। প্রতি ছ’ঘণ্টা অন্তর সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগ আউট হয়ে যাবে।
অনেকেই সংশ্লিষ্ট সিমকার্ড ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছে। তাতে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, এই যুক্তিতেই নতুন বিধি এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে শুরু থেকেই ডিওটির এই নির্দেশিকা মেনে চলার ব্যাপারে টালবাহানা করতে থাকে মেটা। তাদের বক্তব্য, এই নির্দেশিকা আধুনিক ইন্টারনেট ব্যবহারের অভ্যাসের পরিপন্থী। বিদেশে বেড়াতে গেলে বা সেকেন্ডারি মোবাইল ব্যবহার না করা গেলে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়বেন। সেই যুক্তি মানতে চায়নি কেন্দ্র।