Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

ঘোড়সওয়ারিতে ফের আগ্রহী কাশ্মীরের নয়া প্রজন্ম

টগবগিয়ে ছুটছে ঘোড়া। ক্ষুরের শব্দে কান পাতা দায়। ঘোড়ার পিঠে সওয়ারি হওয়ার আগ্রহ বাড়ছে কাশ্মীরের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। যেমন, বছর কুড়ির বাশারত আহমদ ভাট।

ঘোড়সওয়ারিতে ফের আগ্রহী কাশ্মীরের নয়া প্রজন্ম
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ফিরদৌস হাসান, শ্রীনগর: টগবগিয়ে ছুটছে ঘোড়া। ক্ষুরের শব্দে কান পাতা দায়। ঘোড়ার পিঠে সওয়ারি হওয়ার আগ্রহ বাড়ছে কাশ্মীরের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। যেমন, বছর কুড়ির বাশারত আহমদ ভাট। উজবেকিস্তানে ডাক্তারি পড়তে গিয়ে ঘোড়সওয়ারি শিখেছিলেন বাশারত। ফিরে এসে নিজের এলাকায় প্রশিক্ষণ শুরু করেন। তাতেই ব্যাপক আগ্রহ দেখান এলাকার যুবরা।  বাশারত জানান, উজবেকিস্তানে ঘোড়সওয়ারি খুবই সাধারণ বিষয়। সব বয়সের মানুষ নিয়মিত ঘোড়ায় চড়েন। ওখানেই ঘোড়ায় চড়া শিখেছিলেন। প্রথমে শখ হলেও, এখন তা অভ্যাস হয়ে উঠেছে। তাই কাশ্মীরে ফিরেই একটি ঘোড়া কিনে ফেলেন তিনি। বাশারতকে দেখে তাঁর তিন বন্ধুও এগিয়ে আসেন। কিছুদিনের মধ্যেই ঘোড়ায় চড়ার কৌশল রপ্ত করে ফেলেন তাঁরাও। তারপর বাশারতরা সংগ্রহ করেন কয়েকটি বিদেশি প্রজাতির ঘোড়া। তাঁর কথায়, ‘আজকাল প্রায়ই ঘোড়ায় চেপে জঙ্গলে চলে যাই। এতে মানসিক চাপ কমে।’ আর এই প্রবণতা শুধু বারামুলাতেই নয়, ছড়িয়ে পড়েছে গোটা উপত্যকাতেই। 

Advertisement

কয়েক দশক আগেও এখানে সাধারণ যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে ঘোড়ায় চড়ার চল ছিল। বর্তমানে তা নতুন করে ফিরেছে। এজন্য কাশ্মীরে শুরু হয়েছে পেশাদার ঘোড়সওয়ারি প্রশিক্ষণ কোর্স। শ্রীনগরের বাসিন্দা ইবাদুল্লাহ লোন সম্প্রতি এমন এক ঘোড়সওয়ারি কোর্স চালু করেছেন। তাঁর কথায়, ‘অভাবনীয় সাড়া পেয়েছি। ৩০ জনের একটি ব্যাচ রয়েছে আপাতত।’ তিনি আরও বলেন, পেশাদার প্রশিক্ষকরা প্রাথমিক স্তর থেকে ঘোড়সওয়ারি শেখাচ্ছেন। রমজান মাসে কোর্স চালু করার বিশেষ কারণ রয়েছে বলেও জানান তিনি। ইবাদুল্লাহর কথায়, ইসলামে ঘোড়সওয়ারির ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। অনেকে সেই কারণে নতুন কোর্সটিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ইদের পর এই উদ্যোগ বড় পরিসরে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। 

সম্পর্কিত সংবাদ