Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১১ জুনের মধ্যে তিনটি রুফটপ কাফেকে লিখিত বক্তব্য জানাতে বলল পুর-কমিটি

শহরের তিন রুফটপ রেস্তরাঁর কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সমস্ত নথি সহ তাঁদের লিখিত বক্তব্য জানাতে বলা হয়েছে

১১ জুনের মধ্যে তিনটি রুফটপ কাফেকে লিখিত বক্তব্য জানাতে বলল পুর-কমিটি
  • ২৮ মে, ২০২৫ ১৫:০৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহরের তিন রুফটপ রেস্তরাঁর কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সমস্ত নথি সহ তাঁদের লিখিত বক্তব্য জানাতে বলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মতোই সোমবার তিন রুফটপ কাফের মালিককে কলকাতা পুরসভায় শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। সেখানে তাঁরা প্রত্যেকেই আইনজীবী নিয়ে এসেছিলেন। তাঁরা শুনানি (হিয়ারিং) কমিটির কাছে নিজেদের বক্তব্য পেশ করেন। কমিটি তাঁদের আগামী ১১ জুনের মধ্যে সবটা লিখিত আকারে নথি সহ জমা করতে বলেছে। পাশাপাশি, এদিনের শুনানিতে সর্বভারতীয় রেস্তরাঁ সংগঠনের তরফেও একজন মহিলা প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তাঁকেও অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য লিখিতভাবে ওই দিনের মধ্যেই জানাতে বলা হয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, রুফটপ রেস্তরাঁ নিয়ে হিয়ারিং করতে পুরসভার অতিরিক্ত কমিশনারের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি কমিটি গড়েছেন পুর কমিশনার। এদিনের বৈঠকে আবগারি দপ্তরের তরফে একজন সিনিয়র যুগ্ম কমিশনার, দমকলের তরফে একজন ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার ও লালবাজারের একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। পুরসভার তরফে সেখানে বিল্ডিং বিভাগের ডিজি, সম্পত্তি কর মূল্যায়ন ও রাজস্ব আদায় বিভাগের চিফ ম্যানেজার ও লাইসেন্স বিভাগের চিফ ম্যানেজারও ছিলেন। এদিন শুনানিতে বরো ৭, ৮ ও ১০ নম্বর এলাকার তিনটি রুফটপ রেস্তোরাঁ ও পানশালার মালিকরা উপস্থিত ছিলেন। এক পুরকর্তা বলেন, হাইকোর্ট পুরসভার হাতেই সবটা ছেড়েছে। তাই এদিনের হিয়ারিংয়ে আমরা ওঁদের নানা বক্তব্য শুনেছি। সবটাই লিখিত দিতে বলা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স থেকে আবগারি সংক্রান্ত কাগজ, দমকলের অনুমতিপত্র সহ যাবতীয় নথি জমা করতে হবে। তারপর সেসব নথি সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা বিভাগের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সবটা খতিয়ে দেখার পরেই কমিটি পুরসভার শীর্ষ কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট জমা করবে। তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
জানা গিয়েছে, রেস্তরাঁগুলি পুরসভার সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। কমিটির এক সদস্য বলেন, এখানে বহু মানুষের রুটিরুজি জড়িত। তাই যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব যাতে এই বিষয়ে ফয়সলা করা যায়, সেই অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা। ছাদে রেস্তরাঁ করা যায় না কিংবা এই সংক্রান্ত আইনি বাধা রয়েছে, সেই সম্পর্কে কোনও ধারণাই তাঁদের ছিল না 
বলে দাবি করেছেন। শুধু রেজিস্ট্রি ছাড়াও যে পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন, সেটাও তাঁরা জানতেন না। রেস্তরাঁগুলি প্রয়োজনে ঘুরে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা। সেক্ষেত্রে পরিদর্শনের পর কোথাও কোনও খামতি থাকলে, কোনও অংশে ভেঙে কিছু ঠিকঠাক করতে হলেও তাঁরা রাজি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ