নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আজ বঙ্গের ভোটগ্রহণ পর্বের প্রথম দফা। এর প্রাক্কালে দেশজুড়ে তাবৎ বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক দলের নেতা বিবৃতি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে। প্রত্যেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে শুভেচ্ছাও জানালেন। বস্তুত, ইন্ডিয়া জোটের মুখ হিসাবেই উঠে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব থ্যাকারে বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করতে নরেন্দ্র মোদি দুই লক্ষাধিক আধা সেনা মোতায়েন করেছে বাংলায়। অথচ মণিপুরে ৩০ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী। মণিপুরের আগুন নেভাতে ব্যর্থ মোদি সরকার। ২ লক্ষাধিক আধা সেনা দিয়েও বাংলার বাঘিনীকে প্রতিহত করা যাবে না। জিতবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা সকলে তাঁর সঙ্গে আছি। সেই সুরেই বুধবার অরবিন্দ কেজরিওয়াল বললেন, আর কত শক্তি ব্যবহার করবেন মোদিজি? সর্বশক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে। কিন্তু এতকিছুর পরও জিতছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। কপিল সিবাল এদিন রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছেন, কাশ্মীরে যত আধা সেনা টহল দেয়, তার থেকেও বেশি বাহিনী নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাংলায়। বাংলা কি যুদ্ধক্ষেত্র? প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, একঝাঁক মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মন্ত্রীরা—পাশাপাশি কেন্দ্রীয় এজেন্সি, কে নেই? মাত্র একজনকে পরাজিত করতে মোদিজি যে সেনা বাহিনী সাজিয়েছেন, সেটা আজ পর্যন্ত ভারতে কখনও দেখা যায়নি। গোটা ইন্ডিয়া জোট এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিছনে দাঁড়িয়েছে। ভোটের লড়াইয়ে বিরোধী নেতৃত্বের প্রকাশ্য বার্তা, বিজেপিকে হারাতেই হবে। ওমর আবদুল্লা, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদবরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছেন। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, জয় হবে আপনারই কোনও সন্দেহ নেই। আগাম অভিনন্দন।



