Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

রবীন্দ্রনাথকে অপমান করেছেন মোদি, বন্দেমাতরম বিতর্কে তোপ কংগ্রেসের

বন্দেমাতরমের সার্ধশতবর্ষ নিয়ে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। শুক্রবার এ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেন, ১৯৩৭ সালে জাতীয় গীতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্তবক বাদ দেওয়া হয়।

রবীন্দ্রনাথকে অপমান করেছেন মোদি, বন্দেমাতরম বিতর্কে তোপ কংগ্রেসের
  • ১০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:১১
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: বন্দেমাতরমের সার্ধশতবর্ষ নিয়ে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। শুক্রবার এ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেন, ১৯৩৭ সালে জাতীয় গীতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্তবক বাদ দেওয়া হয়। সেটাই দেশভাগের বীজ রোপণ করেছিল। বিভাজনের এই মানসিকতা আজও দেশের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। বিষয়টি নিয়ে রবিবার মোদিকে একহাত নিলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ। কংগ্রেস নেতার দাবি, ওই মন্তব্যের মাধ্যমে শুধু কংগ্রেস ওয়ার্কি কমিটিই নয়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও অপমান করেছেন মোদি। তাই অবিলম্বে মোদির ক্ষমা চাওয়া উচিত।

Advertisement

সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে রমেশ লিখেছেন,   ‘১৯৩৭ সালের ২৬ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর কলকাতায় কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক বসেছিল। সেখানে ছিলেন মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, সর্দার প্যাটেল, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, রাজেন্দ্র প্রসাদ, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। ২৮ অক্টোবর বন্দেমাতরম প্রসঙ্গে একটি বিবৃতি দেয় সিডব্লুসি। ওই বিবৃতিতে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর পরামর্শ গভীর প্রভাব ফেলেছিল। মহাত্মা গান্ধীর লেখায় তার উল্লেখ রয়েছে।’ পোস্টে বিবৃতির স্ক্রিনশট শেয়ারও করেছেন কংগ্রেস নেতা। এই তথ্য তুলে ধরে রমেশের  কটাক্ষ, এব্যাপারে মোদির বক্তব্য বিস্ময়কর হলেও এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।  কারণ, মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে আরএসএসের কোনও ভূমিকাই ছিল না।’ কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, জনজীবনের সঙ্গে জড়িত বিষয়গুলিই প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। কারণ, দেশের মানুষ বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়েই চিন্তিত। অথচ মোদি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর অবমাননা করতেই ব্যস্ত। 
এদিকে, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পড়ুয়াদের গলায়  আরএসএসের গান বিতর্কে তদন্তের নির্দেশ দিল কেরল সরকার। শনিবার বারাণসী থেকে ভার্চুয়ালি এর্নাকুলাম-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই ট্রেনের স্কুলপড়ুয়াদের একটি গানের ভিডিও সামনে আসে। তা আরএসএসের গান বলে দাবি। এই ঘটনায় রবিবার ডিরেক্টর অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশনসকে তদন্তের নির্দেশ দিল কেরল সরকার। শিক্ষামন্ত্রী ভি শিবনকুট্টি বলেছেন, সরকারি অনুষ্ঠানে শিশুদের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সাম্প্রদায়িক এজেন্ডায় কাজে লাগানো সংবিধানের নীতির পরিপন্থী। ঘটনার নিন্দায় সরব সংশ্লিষ্ট স্কুলও। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ