চেন্নাই, ৮ সেপ্টেম্বর: তামিলনাড়ুর বিগত ডিএমকে সরকার দুর্নীতিতে জড়িত ছিল। সরকারি প্রকল্পের বরাতের বিনিময়ে ‘পার্টি ফান্ডে’ ৭-১০ শতাংশ চাঁদা দিতে হত কনট্রাকটারদের। গতকাল বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এমনই অভিযোগ করেছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। এমনকি টেনে আনেন প্রয়াত নেতা মুরাসোলি মারানের নামও। নিজের দাবির স্বপক্ষে মুখ্যমন্ত্রী হাতিয়ার করেছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এবং অন্যান্য নথি। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে অধিবেশন। যার রেশ দেখা গেল আজ, মঙ্গলবারও। বাধ্য হয়ে বিরোধী ডিএমকে বিধায়কদের বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার। ফলে রীতিমতো হুলুস্থুল কাণ্ড সৃষ্টি হয়।
আজ, মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সভার মাঝখানে নেমে আসেন ডিএমকে বিধায়করা। দিতে থাকেন স্লোগান। বিরোধীদের দাবি, বিধানসভার কার্যবিবরণ থেকে বাদ দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীর গতকালের সেই বিতর্কিত মন্তব্য। তখন শাসক টিভিকে বিধায়করা পাল্টা স্লোগান দিলে তুমুল হইহট্টগোল সৃষ্টি হয়।
মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের হয়ে এদিন ময়দানে নামেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী আর নির্মল কুমার। তিনি বলেন, সারকারিয়া কমিশনের রিপোর্ট এবং ইডির নথির ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। শুধু তাই নয়, দুর্নীতির অভিযোগে তিনিও ডিএমকে-কে বিদ্ধ করেন। স্বভাবতই নাখুশ ডিএমকে বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন।
এদিকে, বিধানসভার কার্যবিবরণ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ‘এক্সপাঞ্জ’ করার দাবি খারিজ করে দেন স্পিকার জেসিডি প্রভাকর। পাশাপাশি ডিএমকে বিধায়কদের নিজেদের আসনে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন তিনি। এর পরেও লাভ হওনি। দফায় দফায় আবেদনেও ডিএমকে বিধায়করা ফিরে যাননি। এক একটি পরিস্থিতিতে তাঁদের বের করে দেওয়ার জন্য মার্শালদের নির্দেশ দেন স্পিকার।