নিজস্ব প্রতিনিধি, প্রয়াগরাজ: চারটে টিকিট। তার মধ্যে তিনটেই আরএসি। বৃদ্ধ বাবা-মাকে দুটো সিট ছেড়ে দিতে হয়েছিল। একটা সিটে ছেলের সঙ্গে সারারাত বসে সকালে প্রয়াগরাজে পৌঁছন কৃষ্ণনগরের অসিত পাল। স্টেশন থেকে অটো নিতে গিয়ে চক্ষুচড়ক গাছ। চারজনের ভাড়া দু’হাজার টাকা! মেলার মাঠে ক্যাম্প অবধি গেলে আরও ৫০০। টোটোতেও কম কিছু নয়। দু’হাজার টাকা। হাল ছেড়ে পুলিসের পরামর্শে টোটো নিয়ে এলেন নেতাজি মার্গ। এখান থেকে মিলছে কুম্ভমেলা স্পেশ্যাল বাস। সঙ্গম পর্যন্ত ভাড়া মাথাপিছু ২০ টাকা। কিন্তু বাসের গতি এত কম যে গরুর গাড়িও ওভারটেক করে চলে যাবে। সামনে গাড়ির লম্বা লাইন। ‘কতক্ষণ সময় লাগবে?’ অসিতবাবুর প্রশ্নের উত্তরে কন্ডাক্টর উদাসভাবে বললেন, ‘এমনিতে তো মিনিট চল্লিশ লাগে। এখন কতক্ষণ লাগবে বলা যাচ্ছে না।» শেষ পর্যন্ত অসিতবাবুরা সঙ্গম পৌঁছলেন আড়াই ঘণ্টা পর। প্রায় একই অভিজ্ঞতা ডালখোলা থেকে আসা তপন বসাকেরও। তাঁদের অবশ্য মেলায় আসতে সময় লেগেছে আর একটু বেশি। প্রায় তিন ঘণ্টা। তাও আবার টোটোতে।
Advertisement
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে শহরের ট্র্যাফিক ব্যবস্থা নিয়ে। এনিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ বিহারের কুলদীপ যাদব। তাঁর কথায়, ‘একে তো অটো টোটো ভাড়ার কোনও মাথামুন্ডু নেই। রীতিমতো লুট চলছে। তার মধ্যে ট্র্যাফিকের এই দশা! অথচ পুলিস আর সরকার ঘটা করে বলেছিল, কারও কোনও অসুবিধা হবে না।’ ট্র্যাফিক কর্তাদের দাবি, সকাল থেকেই সব গাড়ি সঙ্গমমুখী। একদিকে চাপ পড়ে যাওয়ায় একটু সমস্যা হয়েছে। আজ থেকে আর অসুবিধা হবে না।
সেকথা শুনে অবশ্য মুচকি হেসেছেন অনেকেই। কারণ, ১৩ জানুয়ারি পৌষ পূর্ণিমা স্নান ও পরদিন, ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তির প্রথম শাহি স্নান। আজ বিকেল থেকেই কুম্ভমেলামুখী সব রাস্তা নো এন্ট্রি হয়ে যাওয়ার কথা। নো এন্ট্রি রাস্তায় জ্যাম হয় কখনও!
সেকথা শুনে অবশ্য মুচকি হেসেছেন অনেকেই। কারণ, ১৩ জানুয়ারি পৌষ পূর্ণিমা স্নান ও পরদিন, ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তির প্রথম শাহি স্নান। আজ বিকেল থেকেই কুম্ভমেলামুখী সব রাস্তা নো এন্ট্রি হয়ে যাওয়ার কথা। নো এন্ট্রি রাস্তায় জ্যাম হয় কখনও!



