Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৮ বছরে মিশন ‘বাংলা দখল’ সাফল্য পায়নি, পরোক্ষে কবুল শাহের, ছাব্বিশের আগে দিন-রাত পরিশ্রমের বার্তা

আট বছর ধরে তিনি নিজে সর্বশক্তি দিয়ে নাগাড়ে চেষ্টা করলেও অধরা থেকে গিয়েছে সাফল্য। বাংলায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার ‘সংকল্প’ বারবার ধাক্কা খেয়েছে।

৮ বছরে মিশন ‘বাংলা দখল’ সাফল্য পায়নি, পরোক্ষে কবুল শাহের, ছাব্বিশের আগে দিন-রাত পরিশ্রমের বার্তা
  • ২ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আট বছর ধরে তিনি নিজে সর্বশক্তি দিয়ে নাগাড়ে চেষ্টা করলেও অধরা থেকে গিয়েছে সাফল্য। বাংলায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার ‘সংকল্প’ বারবার ধাক্কা খেয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আস্থা রেখেছে বঙ্গবাসী। তাই ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে দলীয় নেতা-কর্মীদের দিন-রাত এক করে কঠোর পরিশ্রমের বার্তা দিলেন অমিত শাহ। ররিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে গেরুয়া পার্টির সাংগঠনিক বৈঠকে পরোক্ষে পার্টির প্রদেশ ইউনিটকে কার্যত ভোটের মুড ধরিয়ে দিলেন শাহ। সর্বভারতীয় সভাপতি থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে অমিত শাহের ‘প্রোমোশন’ হলেও বঙ্গ বিজেপি পড়ে রয়েছে সেই তিমিরেই। রাজনৈতিক মহলের দাবি, নিজের মুখে এদিন ঘুরিয়ে তা স্বীকার করে গেলেন গুজরাতি ‘মোটা ভাই’। অমিত শাহের কথায়, ২০১৭ সালের ভোটের পর আমরা প্রস্তুতি নিই। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে আমরা সাফল্য পাই। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ৭৭টি আসনে জয় লাভ করি। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে ৯৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়ে ছিল। দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর আবেদন, আর একটুই বাকি আছে। আপনারা ৪০ শতাংশ (ভোট) পেরিয়ে গিয়েছেন। আর চার-পাঁচ শতাংশ এগতে হবে। আগামী নির্বাচনে আমাদের সরকার গঠন হবে। ২০১৭ সালে আমি বিজেপি সভাপতি থাকাকালীন বলেছিলাম, এখানে আমাদের সরকার গঠিত হবে। সেই দিন এগিয়ে এসেছে। ২০২৬ সাল পর্যন্ত দিন-রাত এক করে বাংলার প্রত্যেক ভোটারের কাছে যান। বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নমূলক বার্তা পৌঁছে দিন। আর আজ আমার সামনে হাজার হাজার মণ্ডল সভাপতিদের আমি আশ্বস্ত করতে চাই। এখানে তৃণমূল সরকার চলে যাওয়ার পরেই আমাদের কর্মীদের যারা খুন করেছে, প্রয়োজনে তাদের মাটির ভিতর থেকে খুঁজে বের করে শাস্তি দেব। মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি শাহের চ্যালেঞ্জ, গণতন্ত্রে হিংসা কাম্য নয়। সাহস থাকলে হিংসা, রিগিং না করে ভোটে লড়ে দেখান। আপনার নিজের জামানতটুকুও জব্দ হয়ে যাবে! তাঁর অভিযোগ, তোষণ ও ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসীমা পেরিয়ে গিয়েছেন। পুরো দেশ চাইছে বাংলায় দেশভক্তদের সরকার তৈরি হোক। মমতা দিদি সোনার বাংলার স্বপ্ন তছনছ করে দিয়েছেন। দুর্নীতি, অনুপ্রবেশ, মহিলাদের উপর অত্যাচার, হিন্দুদের উপর অন্যায়ের উপর তাঁর রাজনীতি চলে। মমতা দিদির আমলে এসএসসি দুর্নীতি, গোরুপাচার কাণ্ড, লটারি কাণ্ড, কয়লা দুর্নীতি, ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, আবাস দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, মিড ডে মিলে দুর্নীতি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি, জিটিএ দুর্নীতি হয়েছে। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ