


নয়াদিল্লি: ভুল মন্তব্য। এটি পুরো সমাজকে ভুল বার্তা দেবে। অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতির এক মন্তব্যের নিন্দা করে শুক্রবার এমনই জানালেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী। কিশোরীর বক্ষ স্পর্শ, তার পায়জামার দড়ি ছিঁড়ে দেওয়া কিংবা তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা নয়। বরং একে যৌন হেনস্তা বলে উল্লেখ করা যেতে পারে। উত্তরপ্রদেশের কাশগঞ্জের একটি মামলার শুনানিতে এমনই মন্তব্য করেছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি রামমনোহর নারায়ণ মিশ্রর বেঞ্চ। আর তা নিয়েই দেশজুড়ে শোরগোল পড়েছে। দেশে যখন ধর্ষণের ঘটনা ক্রমবর্ধমান। তখন এক বিচারপতির এহেন মন্তব্যে রীতিমতো উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
এদিন বিচারপতির মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যাতে যথাযথ পদক্ষেপ করে, সেই আবেদনও জানান। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী একা নন। সরব হয়েছেন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেত্রীরাও। তৃণমূল সাংসদ জুন মালিয়া বলেন, ‘দেশে নারীদের যেভাবে অবহেলা করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। দ্রুত এই পরিস্থতি কাটিয়ে উঠতে হবে আমাদের।’ সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রাক্তন প্রধান স্বাতী মালিওয়াল। তাঁর কথায়, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। বিচারপতির মন্তব্যে আমি মর্মাহত। অভিযুক্তদের কার্যকলাপকে কেন ধর্ষণের সমান অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না? এর নেপথ্যের যুক্তিটা কিছুতেই বুঝতে পারছি না। দ্রুত সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ করা উচিত।