Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুর এলাকাতে আরও ২ লক্ষ ১০ হাজার পরিবারকে ‘বাংলার বাড়ি’ দেবেন মমতা

গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি রাজ্যের পুর এলাকাগুলিতেও প্রান্তিক মানুষের মাথার উপর ছাদ সুনিশ্চিত করার বিষয়টি সমান গুরুত্ব দিচ্ছে নবান্ন।

পুর এলাকাতে আরও ২ লক্ষ ১০ হাজার পরিবারকে ‘বাংলার বাড়ি’ দেবেন মমতা
  • ১৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি রাজ্যের পুর এলাকাগুলিতেও প্রান্তিক মানুষের মাথার উপর ছাদ সুনিশ্চিত করার বিষয়টি সমান গুরুত্ব দিচ্ছে নবান্ন। এজন্যই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের পুর এলাকাগুলিতে আগামী পাঁচ বছরে আরও ২ লক্ষ ১০ হাজার মানুষকে বাড়ি দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিল রাজ্য সরকার।

Advertisement

সূত্রের খবর, এই বাড়ি তৈরির জন্য রাজ্যের তরফে একটি বড় অংশের টাকা দেওয়া হয়। দেশের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ কনট্রিবিউশন। এক একটি বাড়ি তৈরির জন্য রাজ্য দেয় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা। সেখানে কেন্দ্র দেয় মাত্র দেড় লক্ষ টাকা। রাজ্য এক্ষেত্রে এত বড় অঙ্কের টাকা দিলেও এই খাতে কেন্দ্রের কাছে বাংলার প্রাপ্য আটকে আছে প্রায় ১৭০০ কোটি টাকা! 
সোমবার বিধানসভায় পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের বাজেট বিশ্লেষণ পর্বে বিভাগীয় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে ইতিমধ্যেই উত্তরণবাসীসহ শহুরে এলাকার আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের মাথার উপর ছাদ সুনিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। উত্তরণবাসীদের পুনর্বাসন এবং ক্রেডিট লিঙ্কড ভর্তুকির মাধ্যমে আর্থিকভাবে দুর্বল অংশের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন নির্মাণসহ একাধিকভাবে তা সুনিশ্চিত করা হয়। এতে তাদের আরও ভালো অবস্থায় বসবাস করার সহায়তা করার পাশাপাশি উন্নত সামাজিক মর্যাদা প্রদানেরও ব্যবস্থা করে। এখনও পর্যন্ত ‘বেনিফিশিয়ারি লেড কনস্ট্রাকশনের’ অধীনে ৩ লক্ষ ১৫ হাজারের বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে। পরবর্তীকালে রাজ্য প্রশাসনের সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এছাড়াও আগামী পাঁচ বছরে আরও ২ লক্ষ বাড়ি তৈরির টার্গেট নেওয়া হয়েছে।  
এছাড়াও, উত্তরণবাসীদের জন্য চারতলা বাড়িও তৈরি হয় এই প্রকল্পের অধীনে। এক একটি বাড়িতে ১৬টি পরিবার বসবাসের জন্য ফ্ল্যাট পেয়ে থাকেন। রাজ্যের হিসেবে, এক্ষেত্রে এক একটি ফ্ল্যাটকে একটি করে ইউনিট ধরা হয়। এখনও পর্যন্ত কলকাতাতেই ৩,৫৪২টি ইউনিট তৈরি এবং হস্তান্তর হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী পাঁচ বছরে এমন বাড়ি বানিয়ে আরও ১০ হাজার ইউনিট হস্তান্তরের টার্গেট নেওয়া হয়েছে। এখানে বাড়ি পাওয়ার ক্ষেত্রে সাফাই কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যাপারেও চিন্তা ভাবনা রয়েছে সরকারের। 
প্রসঙ্গত, কেন্দ্র টাকা না দেওয়ায় রাজ্যের পঞ্চায়েত এলাকায় ‘বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ)’ প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যেই ১২ লক্ষ মানুষকে বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা দিয়েছে রাজ্য। 

সম্পর্কিত সংবাদ