


কারাকাস: আগে থেকেই মার্কিন সেনা অভিযানের ইঙ্গিত মিলেছিল। যে কোনও সময় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করা হতে পারে, সেই আভাসও মেলে। সূত্রে খবর, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মাদুরোকে আশ্রয়দানের প্রস্তাব দিয়েছিল রাশিয়া। তালিকায় ছিল ভেনেজুয়েলার একাধিক বন্ধু দেশও। মাদুরোকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তিনি যেন দেশ ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। সেখানে নিজের অর্থ-সম্পত্তিও বহাল তবিয়তে ভোগ করতে পারবেন তিনি। এক্ষেত্রে তাঁর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কিন্তু তাতে কান দেননি মাদুরো। অন্য দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। আর সেটাই কাল হল। মাঝরাতে হঠাৎ ডেল্টা ফোর্সের অভিযান। সস্ত্রীক মাদুরোকে বন্দি করে আমেরিকায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের একটি রিপোর্ট সূত্রে সামনে এল এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
বড়দিনের আগের রাতে ভাটিকানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছিল। সেখানে ভাটিকানের স্টেট সেক্রেটারি কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রায়ান বার্চকে ডেকে পাঠান। দীর্ঘক্ষণ রুদ্ধদ্বার বৈঠক চলে। ব্রায়ানের কাছ থেকে ভেনেজুয়েলা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ জানতে চান পারোলিন। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, ঠিক কী করতে চাইছেন ট্রাম্প? শুধুমাত্র মাদক নেটওয়ার্ককে টার্গেট করা হচ্ছে, নাকি ভেনেজুয়েলার শাসক পরিবর্তনই তাদের মূল লক্ষ্য? পরের দিকে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গেও লাগাতার যোগাযোগের চেষ্টা করেন পারোলিন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। জানা গিয়েছে, সেইসময় মাদুরোকে আশ্রয় দিতে প্রস্তুত ছিল রাশিয়া। কিন্তু তাতে গুরুত্ব দেননি মাদুরো।