সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুর পুর উৎসবে ৫০০ লিটার রং ব্যবহার করে জাতীয় সড়কে আলপনা আঁকা হচ্ছে। বাঙালির পার্বণ মানেই থাকে বিশেষ ধরনের আলপনা। বর্তমানে এর চল কমতে শুরু করেছে। কিন্তু বাঙালির ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এবার পুরসভা বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে। গঙ্গারামপুর পুরসভা থেকে ফুটবল মাঠ পর্যন্ত ২ কিমি জাতীয় সড়কের দু’ধারে আঁকা হচ্ছে পুর উৎসবের আলপনা। শহরের যেসব শিল্পী অঙ্কন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত, এমন ১৫ থেকে ২০ জন তরুণ-তরুণী আলপনার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন।
Advertisement
গঙ্গারামপুর শহরে প্রথম পুর উৎসব, তাই সেই উৎসবে নিজেদের শিল্পকলাকে শহর তথা জেলার মানুষের কাছে তুলে ধরতে শিল্পীরা বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করছেন দিনরাত এক করে। যে শিল্পী যখন সময় পাচ্ছেন তখনই বিভিন্ন ধরনের আলপনা ও প্রাকৃতিক দৃশ্য আঁকছেন। মূলত, সাদা, নীল, লাল, সবুজ এই চারটি রঙের ব্যবহার হচ্ছে। পুর উৎসবে আলপনা আঁকার জন্য বর্তমানে বিকেলের পর থেকে রাত পর্যন্ত জাতীয় সড়কের একটি ওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় সড়কের উপরে আলপনা আঁকায় শহরের সৌন্দর্য দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে। পুরসভার এমন উদ্যোগে আপ্লুত শহরবাসী।
গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র বলেন, এটা গঙ্গারামপুর শহরের উৎসব। তাই সমস্ত শহরবাসী নিজেদের মতো করে উৎসবকে সফল করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। যুব সমাজ তথা শহরের অঙ্কন শিল্পীরা তাঁদের হাতের শিল্পকলায় পুর উৎসবের মাধুর্য্য আরও দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে। ২৫-২৬ জানুয়ারি দু’দিন ব্যাপী ফুটবল মাঠে উৎসবের মূল অনুষ্ঠান হবে।
গঙ্গারামপুরের শিল্পী আলোক সাহা বলেন, চেয়ারম্যান আমাদের ডেকে বলেছিলেন পুর উৎসবে নতুন কিছু করতে হবে। সেই মতো শহরের রাস্তায় আলপনা দেওয়ার পরিকল্পনা হয়। আমাদের শহরের প্রায় ২০ জন শিল্পী বিনা পারিশ্রমিকে যে যেমন পারছে আলপনা আঁকছেন। আমাদের উৎসব, তাই আমরা কাজ করছি। পুর উৎসবের পরেও আলপনা অনেকদিন পর্যন্ত থাকবে।
গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র বলেন, এটা গঙ্গারামপুর শহরের উৎসব। তাই সমস্ত শহরবাসী নিজেদের মতো করে উৎসবকে সফল করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। যুব সমাজ তথা শহরের অঙ্কন শিল্পীরা তাঁদের হাতের শিল্পকলায় পুর উৎসবের মাধুর্য্য আরও দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে। ২৫-২৬ জানুয়ারি দু’দিন ব্যাপী ফুটবল মাঠে উৎসবের মূল অনুষ্ঠান হবে।
গঙ্গারামপুরের শিল্পী আলোক সাহা বলেন, চেয়ারম্যান আমাদের ডেকে বলেছিলেন পুর উৎসবে নতুন কিছু করতে হবে। সেই মতো শহরের রাস্তায় আলপনা দেওয়ার পরিকল্পনা হয়। আমাদের শহরের প্রায় ২০ জন শিল্পী বিনা পারিশ্রমিকে যে যেমন পারছে আলপনা আঁকছেন। আমাদের উৎসব, তাই আমরা কাজ করছি। পুর উৎসবের পরেও আলপনা অনেকদিন পর্যন্ত থাকবে।



