নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শেয়ার বাজারে লগ্নির নামে প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে ৪১ লক্ষ টাকা খোয়ালেন শিলিগুড়ির এক বাসিন্দা। ঘটনায় বিহারের দ্বারভাঙা থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছে শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানার পুলিস। ধৃতের নাম মহম্মদ ইরসাদুল্লাহ। বাড়ি দ্বারভাঙা জেলার লক্ষ্মীসরাইতে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, গত বছর আগস্ট মাসে শিলিগুড়ির আশ্রমপাড়ার এক বাসিন্দার কাছে সাইবার প্রতারকেদের থেকে একটি ভিডিও এবং একটি অ্যাপের লিঙ্ক পাঠানো হয়। লিঙ্কে এক ব্যক্তি জানায় সে নামী বেসরকারি সংস্থার এজেন্ট। সেই মর্মে একটি নামী টিভি চ্যানেলের ভিডিও পাঠানো হয়। ভিডিও দেখার পর বলা হয় পাঠানো লিঙ্কে যে অ্যাপ খুলবে তাতে লগ্নি করলে দ্রুত মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। সেই মতে প্রথমে অল্প লগ্নি করলেও ধাপে ধাপে সব মিলিয়ে ৪১ লক্ষ টাকা লগ্নি করে ফেলেন শিলিগুড়ির ওই বাসিন্দা।
এরপর সেপ্টেম্বর মাসে মুনাফা দেখতে পেয়ে টাকা ওঠাতে গেলে মাত্র ১০ হাজার টাকা তুলতে পারেন। বাকি টাকা কিছুতেই তুলতে পারেননি। এরপরেই তিনি বুঝতে পারেন সাইবার প্রতারকেদের ফাঁদে পড়েছেন। শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানার দ্বারস্থ হন। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিস। কয়েকমাস টানা তদন্তের পর পুলিস জানতে পারে বিহারের বাসিন্দা মহম্মদ ইরসাদুল্লাহের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লগ্নি হওয়া টাকার লেনদেন হয়েছে। এরপরেই বিহারে যায় পুলিসের টিম। সোমবার রাতে ইরসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে শিলিগুড়ি নিয়ে আসা হয়।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, প্রতারণার টাকা নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন করার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
এরপর সেপ্টেম্বর মাসে মুনাফা দেখতে পেয়ে টাকা ওঠাতে গেলে মাত্র ১০ হাজার টাকা তুলতে পারেন। বাকি টাকা কিছুতেই তুলতে পারেননি। এরপরেই তিনি বুঝতে পারেন সাইবার প্রতারকেদের ফাঁদে পড়েছেন। শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানার দ্বারস্থ হন। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিস। কয়েকমাস টানা তদন্তের পর পুলিস জানতে পারে বিহারের বাসিন্দা মহম্মদ ইরসাদুল্লাহের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লগ্নি হওয়া টাকার লেনদেন হয়েছে। এরপরেই বিহারে যায় পুলিসের টিম। সোমবার রাতে ইরসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে শিলিগুড়ি নিয়ে আসা হয়।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, প্রতারণার টাকা নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন করার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।



