


মহম্মদ নাজিম, হরিশ্চন্দ্রপুর: হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভায় মহিলা কলেজ ও হাসপাতালের উন্নতির অঙ্গীকারকে হাতিয়ার করে ভোট প্রচার তৃণমূল ও সিপিএমের।
ইতিমধ্যে হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী মতিবুর রহমান ও সিপিএমের শেখ খলিল কাজের ইস্তাহার প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনে জয়ী হলে হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভায় কী কী বড় কাজ করা হবে, তা ইস্তাহারে প্রকাশ করে মানুষের কাছে গিয়ে ভোটের প্রার্থনা করছে তৃণমূল ও সিপিএম। কংগ্রেস ও বিজেপি এখনও পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে কোনো ইস্তাহার প্রকাশ করেনি।
কংগ্রেস প্রার্থী পুরনো কাজের খতিয়ান তুলে ধরে ভোট প্রার্থনা করছেন। অপরদিকে বিজেপি প্রার্থী রতন দাস কেন্দ্রীয় সরকারের চালু করা প্রকল্পের কথা বলছেন।
হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের তিনটি পঞ্চায়েত ও ২ নম্বর ব্লকের ন’টি পঞ্চায়েত নিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা। এই বিধানসভায় হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতাল রয়েছে। অপরদিকে ভালুকা বাজার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও মশালদহ বাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলেও চিকিৎসক ও পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে।
হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে স্ত্রী বিশেষজ্ঞ ও আইসিইউ নেই। সিজার চালু হয়নি। ৬০টি মাত্র বেড। হরিশ্চন্দ্রপুরে মহিলা কলেজ নেই। এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল হক বলেন, হাসপাতালের উন্নতি ও মহিলা কলেজ অবশ্যই প্রয়োজন। পাশাপাশি, হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের ইসলামপুর ও সাদলীচক এলাকায় দমকল ও একটি নতুন হাসপাতাল জরুরি। নতুন হাসপাতাল ও দমকলের জন্য একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে নেতা-মন্ত্রীদের ডেপুটেশন দিয়েছি। কেউই উদ্যোগ নেননি। তৃণমূল ও সিপিএমের ইস্তাহারে আমাদের দাবিগুলি নেই।
হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের সহিদুল ইসলাম বলেন, হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লক এলাকায় জলের চরম সমস্যা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত বহু গ্রামে পরিস্রুত পানীয় জলের কোনো ব্যবস্থা নেই। আয়রন যুক্ত জল খেতে হচ্ছে মানুষকে। জলের সমস্যা সমাধানের কথা কোনো প্রার্থীর ইস্তাহারে নেই।
তৃণমূল প্রার্থী বলেন, বড় সাতটি কাজের প্রতিজ্ঞা প্রকাশ করেছি। ভোটে জয়ী হলে মানুষের জন্য গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব। অপরদিকে সিপিএম প্রার্থী বলেন, কর্মসংস্থান, নিয়োগ, শিল্প বিনিয়োগ, মজুরি, নারী ক্ষমতায়ন, বিদ্যুৎ শুল্ক মকুব ও শিক্ষা স্বাস্থ্য সহ আটটি কাজের কথা ইস্তাহারে রেখেছি। ভোটে জয়ী হলে এসব কাজ করার পাশাপাশি মানুষের দাবি পূরণ করব।