সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: যুদ্ধবিরতি হয়েছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন, ‘আর একটিও সন্ত্রাসের হামলা হলে ভারত আবার অপারেশন সিন্দুরের মতোই প্রত্যাঘাত করবে।’ পাকিস্তান সরকার এই হুঁশিয়ারিকে কী চোখে দেখছে, সেটা তাদের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপেই স্পষ্ট হবে। কিন্তু পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তোইবা? ভারত বিরোধী চক্রান্তে তাদের কোনও বিরাম নেই। উল্টে অপারেশন সিন্দুরে সন্ত্রাসবাদীদের একের পর এক ডেরায় ভারতীয় সেনা আক্রমণ করে যে শতাধিক জঙ্গিকে খতম করে দিয়েছে, তার প্রতিশোধের প্ল্যান সাজিয়েছে লস্কর। ভারতীয় গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, অপারেশন সিন্দুরের পরই পাক অধিকৃত কাশ্মীরে লস্করের কমান্ডার স্তরের একটি বৈঠক হয়েছে। পেশোয়ার থেকে মুলতান। লাহোর অথবা করাচি। প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা লস্কর কমান্ডাররা এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিল। নেতৃত্বে ছিল আবু আমির হামজা এবং মহম্মদ শোয়েব। বৈঠকে স্থির হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ রেখা ধরে সীমান্ত বরাবর বিস্তীর্ণ অংশে সুড়ঙ্গ তৈরি হবে। সেই পথেই ভারতে পাঠানো হবে ফিদায়েঁ জঙ্গিদের। একসঙ্গে বিভিন্ন এলওসি পয়েন্ট টার্গেট করছে লস্কর। বেশ কিছু স্থানে এই সুড়ঙ্গ খননের কাজ শুরুও হয়ে গিয়েছে। এই ব্লু-প্রিন্ট কেন? অধিকৃত কাশ্মীরের নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গপথে জঙ্গিরা অনুপ্রবেশ করলে নিয়ন্ত্রণ রেখায় প্রহরারত ভারতীয় সেনা এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজরে আসবে না। এখানেই শেষ নয়। চক্রান্ত আরও বড়। একসঙ্গে বেশ কয়েকটি জঙ্গিদল পার করিয়ে নাশকতা শুরু করানোর পর ওই একই পথে পাকিস্তানি সেনাও ঢুকবে। যাতে জঙ্গিদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাক সেনাও লড়তে পারে।



