Bartaman Logo
২৯ জুলাই, ২০২৬
Advertisement
বর্তমান / রাজ্য

৮০০ কোটি টাকার লগ্নির প্রস্তাব জেলায়

নদীয়া জেলায় মোট ৮০০ কোটি টাকা লগ্নির প্রস্তাব এল। ১৫০ উদ্যোগপতির থেকে এই প্রস্তাব এসেছে। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে আয়োজিত হয়েছিল ‘সিনার্জি’।

৮০০ কোটি টাকার লগ্নির প্রস্তাব জেলায়
  • ২২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: নদীয়া জেলায় মোট ৮০০ কোটি টাকা লগ্নির প্রস্তাব এল। ১৫০ উদ্যোগপতির থেকে এই প্রস্তাব এসেছে। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে আয়োজিত হয়েছিল ‘সিনার্জি’। সেখানেই এই লগ্নির প্রস্তাব এসেছে। এই লগ্নি বাস্তবায়িত হলে জেলার প্রায় ২৬ হাজার মানুষ কাজ পাবে বলে জানা গিয়েছে। উদ্যোগপতিদের সরকারের তরফ থেকে প্রস্তাবিত শিল্পকে বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করা হবে। ব্যাঙ্ক লোন পাইয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে আর্থিক সাহায্যও করা হবে যাতে উদ্যোগপতিরা বিনা জটিলতায় কাজ করতে পারেন। পাশাপাশি উদ্যোগপতিদের জন্য শিল্পের পরিবেশ গঠন করতেও সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। 
Advertisement
নদীয়া জেলা শিল্প দপ্তরের আধিকারিক পুষ্পেন্দু মল্লিক বলেন, ‘আমরা চাইছি আরও উদ্যোগপতিরা শিল্প ভাবনা নিয়ে এগিয়ে আসুক। প্রশাসনের তরফ থেকে শিল্পের প্রসার ঘটাতে সমস্ত রকম সাহায্য করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েকশো কোটি টাকার লগ্নি প্রস্তাব এসেছে। এর ফলে কয়েক হাজার মানুষ কাজ পাবে। সেই সমস্ত যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সেই ব্যাপারে আমার নজর দিচ্ছি।’ বহরমপুরে আয়োজিত সিনার্জিতে মুর্শিদাবাদের পাশপাশি নদীয়া ও বীরভূম জেলা থেকেও বহু শিল্পপতি অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে মোট ৮০২ কোটি টাকা লগ্নির প্রস্তাব এসেছে। কৃষিশিল্প, প্লাস্টিক কেমিক্যাল শিল্প, টেক্সটাইল শিল্প, বনশিল্প সহ একাধিক ক্ষেত্রে এই বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে বলে জানা গিয়েছে। যেখানে কাজ পাবেন ২৬ হাজার ৫০৫ জন মানুষ।‌ এর মধ্যে শুধু কৃষিশিল্পেই প্রায় ৫০০ কোটি টাকা লগ্নির প্রস্তাব এসেছে। প্রশাসনের আধিকারিকদের কথায়, নদীয়া জেলা কৃষিপ্রধান। রাইস মিল তৈরির জন্যও বেশ কিছু আবেদন এসেছে। 
জানা গিয়েছে, বহরমপুরের সিনার্জির অনুষ্ঠান থেকে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়েছে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের। নদীয়া জেলার চরব্রহ্মনগরের একটি টেক্সটাইল ক্লাস্টারকে ১৭ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। যা দিয়ে বিভিন্ন যন্ত্রাদি কিনতে হবে ওই ক্লাস্টারকে। সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টার স্কুলের জামাকাপড় সেলাইয়ের কাজ করে। এতদিন ১৫ হাজার ছাত্রছাত্রীর জামা সেলাই করতে পারত ক্লাস্টারটি। কিন্তু এবার তাঁরা ২৫ হাজার ছাত্রছাত্রীর জামা সেলাই করতে পারবে। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন উদ্যোগতিদের নানাভাবে সাহায্য করা হবে সরকারের তরফ থেকে। জমি সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে তা দ্রুত মিটিয়ে ফেলা হবে। বিদ্যুৎ বিলেও ছাড় দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে ব্যাঙ্ক লোনের সুদের টাকার একটা অংশ সরকার থেকে দেওয়া হবে। বাংলাশ্রী ইনসেনটিভ প্রকল্পের আওতায় তা করা হবে। 
বিগত পাঁচ বছরে বাংলাশ্রী প্রকল্পের আওতায় নদীয়া জেলার ৫৬টি ইউনিটকে ১২ কোটি ২০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য করেছে রাজ্য সরকার।‌ কালীগঞ্জের মাটিয়ারি এলাকার উদ্যোগপতি রঞ্জিত ঘোষ বলেন, আমরা কাঁসা পিতলের ব্যবসা করি। আমাদের শিল্পীরা ‘উদ্যম’ রেজিস্ট্রেশন করিয়েছেন। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বিভিন্ন রকম সাহায্য পাচ্ছি, শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।‌
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ