


বেইরুট: আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লেবাননের আবাসিক এলাকায় ব্যবহার করা হয়েছে মারাত্মক সাদা ফসফরাস অস্ত্র! ইজরায়েলের বিরদ্ধে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলল মার্কিন মানবাধিকার গোষ্ঠী। তাদের হাতে আসা সাতটি ছবি যাচাই করে এই দাবি করেছে নিউ ইয়র্কের হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। তাদের অভিযোগ, গত ৩ মার্চ দক্ষিণ লেবাননের ইয়োহমোর শহরের আবাসিক এলাকায় এই মারণ রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক গবেষক রামজি কাইস বলেছেন, ‘আবাসিক এলাকায় এই বেআইনি অস্ত্রের ব্যবহার সেখানকার বাসিন্দাদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এর ফলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। যার ফলে অনেকের মৃত্যুও হতে পারে।’ এই রাসায়নিক অস্ত্রের প্রভাবে এলাকার দুটি বাড়িতে আগুন লেগে যায় বলেও জানা গিয়েছে। অত্যন্ত দাহ্য রাসায়নিক এই সাদা ফসফরাস। অক্সিজেনের সংস্পর্শে সহজেই আগুন ধরে যায় এই রাসায়নিকে। ফলে এই অস্ত্র ব্যবহার করলে বিস্তীর্ণ এলাকার বাড়িঘর, খেতে আগুন ধরে যেতে পারে। এই রাসায়নিকের সংস্পর্শে এলে শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, বেশ কিছুক্ষেত্রে সাদা ফসফরাস ব্যবহার করা গেলেও, কোনও ভাবেই এই রাসায়নিকের এয়ারবার্স্ট (মাঝ আকাশে বিস্ফোরণ) করা যায় না।
তবে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে সাদা ফসফরাসের ব্যবহারের অভিযোগ এই প্রথম নয়। ২০২৩ সালেও গাজা ও লেবাননে এই অস্ত্র প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছিল নেতানিয়াহুর দেশের বিরুদ্ধে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিল ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স।