


গাজা ও জেনেভা: ফের গাজায় হামলা ইজরায়েলের। এই হামলায় অন্তত ৬২ জন প্যালেস্তানি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। অন্যদিকে গাজায় গণহত্যা চালানো হচ্ছে বলে জানানো হল রাষ্ট্রসংঘে পেশ করা রিপোর্ট। একটি তদন্ত কমিটির ওই রিপোর্টে গাজার গণহত্যায় প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সহ ইজরায়েলের প্রথম সারির নেতাদের মদত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই রিপোর্টকে ‘মিথ্যে’ বলে দাবি করেছে ইজরায়েল।
জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে নতুন করে গাজা ভূখণ্ডে আক্রমণ শুরু করে ইজরায়েলি সেনা। আর্ন্তজাতিক সংবাদসংস্থা আল জাজিরার দাবি, প্যালেস্তাইনের এলাকা দখল করতেই হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল। তেল আভিভের হামলায় কয়েক মিনিটের মধ্যে ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন গাজার বাসিন্দারা। জানা যাচ্ছে, মধ্য-গাজার দারাজ আবাসিক এলাকাতেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২০ জনের। কয়েকদিন আগেই আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, ‘আমাদের হাতে যুদ্ধবিরতির চুক্তি করার জন্য খুব কম সময় রয়েছে। হয়তো সেটা মাত্র কয়েক সপ্তাহ’। তারপরেই ইজরায়েলের স্থলবাহিনীর হামলা।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংঘে তদন্ত কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজায় অপারেশনের শুরু থেকেই ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে ইজরায়েল। বন্ধ করে দেওয়া হয় ত্রাণ সরবরাহ। কয়েক হাজার মানুষকে ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। একাধিক মানবাধিকার সংগঠন, বুদ্ধিজীবীদের বক্তব্যও রয়েছে ওই রিপোর্টে। রাষ্ট্রসংঘের এই তদন্ত কমিশনের প্রধান নবি পিল্লাই বলেছেন, ‘আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি কীভাবে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই নৃশংসতার দায় সম্পূর্ণভাবে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের।’ যদিও গোটা রিপোর্টকে ‘মিথ্যে’ ও ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রসংঘে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত দানিয়েল মেরন। তাঁর দাবি, হামাসের প্রতি সহানুভূতি থেকেই এই রিপোর্ট লেখা হয়েছে। এই রিপোর্ট ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। পাল্টা পিল্লাই বলেছেন, ‘ ওঁরা (ইজরায়েল) বলুক আমাদের তথ্যে কোথায় ভুল রয়েছে?’