Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পঞ্চাশটির বেশি আসনে লড়তে আগ্রহী আইএসএফ, শীঘ্রই বৈঠক আলিমুদ্দিনে, বামেদের জোট-জট

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সংযুক্ত মোর্চায় থেকে ৯২টি আসনে লড়াই করেছিল কংগ্রেস। আজকের পরিস্থিতিতে এই শূন্যস্থান পূরণ করবে কারা?

পঞ্চাশটির বেশি আসনে লড়তে আগ্রহী আইএসএফ, শীঘ্রই বৈঠক আলিমুদ্দিনে, বামেদের জোট-জট
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সংযুক্ত মোর্চায় থেকে ৯২টি আসনে লড়াই করেছিল কংগ্রেস। আজকের পরিস্থিতিতে এই শূন্যস্থান পূরণ করবে কারা? এই অবস্থায় বামফ্রন্টের অন্যান্য শরিক দলের পাশাপাশি আইএসএফ তাদের আসনের দাবি বাড়াতে চলেছে বলে খবর। সূত্রের দাবি, রবিবার আইএসএফের রাজ্য কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ৫০-এর বেশি আসনের দাবি রাখা হবে বামফ্রন্টের কাছে। এ বিষয়ে রবিবারই বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুকে তারা চিঠি দিয়েছিলেন। সূত্রের দাবি, আলিমুদ্দিন থেকে আইএসেফের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, দ্রুত বৈঠকের দিনক্ষণ জানানো হবে। তা চলতি সপ্তাহেই হতে পারে বলে খবর। 

Advertisement

আইএসএফ চেয়ারম্যান নৌশাদ সিদ্দিকি আগেই জানিয়েছিলেন, গত বারের তুলনায় আসন সংখ্যার পরিবর্তন হবে। ২০২১ সালে আইএসএফ ৩২টি আসনে লড়াই করেছিল। দলের সম্পাদক বিশ্বজিৎ মাইতি বলছেন, ‘গত পাঁচ বছরে আমাদের সংগঠন বেড়েছে। ফলত, আমরা গত বারের তুলনায় বেশি আসন চাইব। কিন্তু সমঝোতার জন্য আমরা নমনীয়। আমাদের উদ্দেশ্য, তৃণমূল-বিজেপি বিরোধী শক্তি গড়ে তোলা।’ সূত্রের খবর, প্রথমে তারা ৭০-এর বেশি আসনের দাবি জানিয়েছিল। পরে তা কমিয়ে ৪০-৪৫টি আসনের দাবি রাখা হয়েছিল। আইএসএফের এক নেতার কথায়, ‘সেটা বৃহত্তর জোটের জন্য। এখন তো আমরা দাবি বেশি করবই।’ এদিকে, হুমায়ুন কবির প্রসঙ্গে আলিমুদ্দিনে ‘চ্যাপ্টার ক্লোজড’ হলেও বিশ্বজিৎবাবু বলছেন, ‘হুমায়ূনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনও আসেনি।’ বামফ্রন্টের নতুন সঙ্গী সিপিআই (এমএল) লিবারেশন ২০২১ সালে ১২টি আসনে লড়াই করেছিল। তাদের বক্তব্য, আসন নিয়ে তারা নমনীয়। চলতি সপ্তাহেই আইএসএফের সঙ্গে সিপিএমের বৈঠকের কথা রয়েছে। তবে নৌশাদের দল নিয়ে বামফ্রন্ট শরিকদের মধ্যেই রয়েছে বিবাদ। সোমবার আরএসপির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়নি। তা আজ, মঙ্গলবার হওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে কি আইএসএফের ৫০-এর বেশি আসনে রাজি হবে বামফ্রন্ট? এই প্রশ্ন থাকছে। সব মিলিয়ে আসন সমঝোতার জট কাটাতে মরিয়া আলিমুদ্দিন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ