Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

প্রাইভেট কোচিংয়ের উপর নির্ভরতার নেপথ্যে স্কুলের পঠনপাঠনে খামতি? কারণ খুঁজতে কমিটি শিক্ষামন্ত্রকের

বাড়ছে প্রাইভেট কোচিং নির্ভরতা। সেই তুলনায় ক্রমশ কমছে স্কুলের পড়ানোর উপর ভরসা। তাহলে কি দেশব্যাপী বিদ্যালয়ের পঠনপাঠনে কোনও খামতি রয়ে যাচ্ছে?

প্রাইভেট কোচিংয়ের উপর নির্ভরতার নেপথ্যে স্কুলের পঠনপাঠনে খামতি? কারণ খুঁজতে কমিটি শিক্ষামন্ত্রকের
  • ২৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাড়ছে প্রাইভেট কোচিং নির্ভরতা। সেই তুলনায় ক্রমশ কমছে স্কুলের পড়ানোর উপর ভরসা। তাহলে কি দেশব্যাপী বিদ্যালয়ের পঠনপাঠনে কোনও খামতি রয়ে যাচ্ছে? এই ফাঁক খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হল শিক্ষামন্ত্রক। সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত ব্যাপারে ন’জন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে শিক্ষামন্ত্রক। সেই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের কেন্দ্রীয় সচিবকে। তৈরি হয়েছে আট দফা এজেন্ডাও। সেইমতো নেওয়া হচ্ছে যাবতীয় পদক্ষেপ। তবে শুধুমাত্র এজেন্ডা তৈরি করে কর্মসূচি পালন করাই নয়,  ছাত্রছাত্রীদের কোচিং নির্ভরতা কমানোর জন্য পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সচেতন করার কাজও করবে শিক্ষামন্ত্রক। তাঁদের বোঝানো হবে, উচ্চশিক্ষায় এই মুহূর্তে কেরিয়ার ভিত্তিক পড়াশোনার অনেক সুযোগ রয়েছে। তাই হাতেগোণা কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভরশীল হবেন না। সার্বিক বিষয়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, প্রতি মাসে এই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে রিপোর্ট দেবে সংশ্লিষ্ট কমিটি। পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের কোচিং নির্ভরতা আদৌ কমেছে কি না, সেই ব্যাপারে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করা হবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের কেন্দ্রীয় সচিব ছাড়া ওই কমিটির বাকি আটজন সদস্য কারা? সূত্রের খবর, তাঁদের মধ্যে অন্যতম দু’জন হলেন সিবিএসইর চেয়ারম্যান এবং স্কুল শিক্ষা দপ্তরের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সচিব। পাশাপাশি আইআইটি মাদ্রাজ, এনআইটি ত্রিচি, আইআইটি কানপুর এবং এনসিইআরটির একজন করে প্রতিনিধিকে ওই কমিটির সদস্য করা হয়েছে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয় এবং কোনও বেসরকারি স্কুলের অধ্যক্ষ ওই কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করবেন। তাঁদের কেন্দ্রীয় স্কুল শিক্ষা দপ্তরের সচিব মনোনীত করবেন। উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সচিবকে কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহেই এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে প্রাথমিক প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। কমিটি প্রধানত খতিয়ে দেখবে, স্কুল পড়ুয়াদের পড়াশোনায় ‘ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং’, ‘লজিক্যাল রিজনিং’, ‘অ্যানালিটিক্যাল স্কিলস’ এবং ‘ইনোভেশন’-এর ক্ষেত্রে কোনওরকম খামতি থেকে যাচ্ছে কি না। কী কারণে ‘ডামি স্কুল’ এবং কার্যত স্কুলের মতো ফি’তেই সর্বক্ষণের কোচিং সেন্টারের দিকে ছাত্রছাত্রীরা ঝুঁকছেন, সেটিও খতিয়ে দেখবেন শিক্ষামন্ত্রক গঠিত ওই কমিটির সদস্যরা।

সম্পর্কিত সংবাদ