


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মহারাষ্ট্রের বিওয়ান্ডি থেকে কলকাতায় আসার পথে লুট হল কোটি কোটি টাকার অপরিহার্য ওষুধ ও ইঞ্জেকশন। দামি ইঞ্জেকশনগুলির ‘মিল্ক রুট’ ধরে নাগপুর, রায়পুর, কটক হয়ে কলকাতায় আসার কথা ছিল। নাগপুরে ঘটনাটি ঘটে। অধিকাংশ ওষুধ ও ইঞ্জেকশনই লুট হয়ে যায়। তার পরিপ্রেক্ষিতে দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের সবক’টি রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল এবং ওষুধের দোকানদারদের সর্ববৃহৎ সংগঠন এআইওসিডিকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেছে কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল।
দোকানদারমহল সূত্রের খবর, সুগার কন্ট্রোল এবং ওজন কমাতে এই ওষুধ ব্যবহার হয়। এক-একটি ভায়ালের দাম ১২ থেকে ২৫ হাজার টাকা। কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোলের আশঙ্কা, লুট হওয়া এইসব দামি ইঞ্জেকশনের বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা। এগুলি সবই একটি নামকরা বহুজাতিক ওষুধ নির্মাতার। লুটের দ্রুত কিনারা হওয়া যেমন জরুরি, তেমনই জরুরি লুট হওয়া ইঞ্জেকশনগুলির দ্রুত উদ্ধার করা। কারণ, এই ইঞ্জেকশন ঘুরপথে রোগীদের কাছে চলে আসা মোটেই অস্বাভাবিক নয়। ইঞ্জেকশনগুলি ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস কোল্ড চেইন মেনে কলকাতায় আসার কথা। লুটের ফলে সেই চেইন ব্রেক হয়েছে। রোগীরা ব্যবহার করলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল জানিয়েছে, সবমিলিয়ে ২৬৫ ভায়াল দামি ইনসুলিন ইঞ্জেকশন লুট হয়েছে। ৩০৪০ ভায়াল অত্যন্ত দামি সিমাগ্লুটাইড ইঞ্জেকশনও উধাও হয়েছে। এই সিমাগ্লুটাইড সুগার কমায়। পাশাপাশি ওবেসিটির সমস্যা কমায়।