


নয়াদিল্লি: মার্কিন বিমানবন্দরে মাটিতে ফেলে ভারতীয় পড়ুয়াকে হাতকড়া পরানো হচ্ছে। নেওয়ার্ক বিমানবন্দরের এমনই একটি ভিডিও ঘিরে তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিভিন্ন মহলে উঠেছে নিন্দার ঝড়। এরইমধ্যে এবার ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিল ভারতের মার্কিন দূতাবাস। তারা বলেছে, বৈধ পর্যটকদের আমেরিকায় সর্বদাই স্বাগত। তবে অনুপ্রবেশ, ভিসার অপব্যবহার, মার্কিন আইন লঙ্ঘনের মতো বিষয় বরদাস্ত করা হবে না।’ এই বার্তাকে ঘটনার সাফাই হিসেবেই মনে করা হচ্ছে।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইমতো ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন। বিদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। প্যালেস্টাইনকে সমর্থন থেকে শুরু করে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন। একাধিক অজুহাত দেখিয়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিদেশি পড়ুয়াদেরও ফেরত পাঠাচ্ছে ওয়াশিটংন। এই পরিস্থিতিতে দূতাবাসের এই বার্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিন এক্স হ্যান্ডলে দেওয়া বিবৃতিতে মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, ‘বৈধ পর্যটকদের সবসময় দেশে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত আমেরিকা। তবে আমেরিকায় থেকে যাওয়ার কোনও অধিকার নেই। আমরা কিছুতেই অবৈধ অনুপ্রবেশ, ভিসার অপব্যবহার ও মার্কিন আইনের লঙ্ঘন সহ্য করব না।’
সম্প্রতি হ্যান্ডকাফ পরা ওই পড়ুয়ার ভিডিও পোস্ট করেন এক ভারতীয় কুণাল জৈন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ওই যুবককে রীতিমতো মারধর করা হচ্ছে। কুণাল জানান, ভিসা পেয়েই অনেকে আমেরিকার বিমান ধরেন। কিন্তু অভিবাসন আধিকারিকদের আমেরিকায় আসার কারণ সঠিকভাবে বোঝাতে পারে না। তাই পত্রপাঠ তাঁদের অপরাধীদের মতো দেশে ফেরত পাঠানো হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই বিবৃতি দেয় নিউ ইয়র্কের ভারতীয় কনস্যুলেট। বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। কনস্যুলেট ভারতীয় নাগরিকদের পাশে রয়েছে।’ এবার এবিষয়ে পাল্টা বার্তা দিল ভারতের মার্কিন দূতাবাস।