Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘পলি হাউস’ পদ্ধতিতে চাষে গুরুত্ব, পরিকাঠামো গড়তে চাষিদের ভর্তুকি

বহুদিন ধরেই কৃষকদের পলি হাউস পদ্ধতিতে চাষ করার জন্য উৎসাহ দিয়ে চলেছিল সরকার। কেউ কেউ তা করলেও বিষয়টি বিজ্ঞানসম্মত হচ্ছিল না।

‘পলি হাউস’ পদ্ধতিতে চাষে গুরুত্ব, পরিকাঠামো গড়তে চাষিদের ভর্তুকি
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বহুদিন ধরেই কৃষকদের পলি হাউস পদ্ধতিতে চাষ করার জন্য উৎসাহ দিয়ে চলেছিল সরকার। কেউ কেউ তা করলেও বিষয়টি বিজ্ঞানসম্মত হচ্ছিল না। থেকে যাচ্ছিল নানা ফাঁকফোকর। ফলে যে উদ্দেশ্য নিয়ে পলি হাউস ফার্মিংকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল, তা খুব একটা পূরণ হয়নি। তাই এবার সরকারি উদ্যোগেই ইচ্ছুক কৃষকদের এই বিশেষ পদ্ধতিতে চাষবাসের জন্য সাহায্য করা হবে। ঠিক হয়েছে, উদ্যানপালন দপ্তর থেকে আগ্রহী কৃষকদের পলি হাউসের পরিকাঠামো তৈরি করতে ৪২,৮৪৫ টাকা দেওয়া হবে ভর্তুকি হিসেবে। তবে বাঁশের খরচ বাবদ ৪৩ হাজার টাকা কৃষকদেরই বহন করতে হবে। কিন্তু যদি কোনও কৃষক নিজেই বাঁশের জোগান দেন, তাহলে এই খাতে ধার্য টাকা দিতে হবে না তাঁকে।

Advertisement

পলি হাউস ফার্মিং কী?  মাঠের একাংশকে এই চাষের জন্য প্রস্তুত করা হয়। ফল, ফুল, সব্জি, গাছের বীজ রোপণের পর বাঁশের কাঠামো তৈরি করে তার উপরে বিশেষ ধরনের ও উন্নত মানের পলিথিন শিট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ঝড়-বৃষ্টির  হাত থেকে রক্ষা করা যায় ফসল। অসময়ে বৃষ্টি হলেও ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয় না। এই প্রকল্পটি গত বছরই অনুমোদন করেছিল দপ্তর। কিন্তু নানা কারণে সেটা বাস্তবায়িত হয়নি। নতুন অর্থবর্ষ শুরু হতেই এনিয়ে শুরু হয়েছে তৎপরতা। ঠিক হয়েছে, কৃষকদের এই কাঠামো তৈরি করার দায়িত্ব দেওয়া হবে একটি সংস্থাকে। তার জন্য টেন্ডার ডাকা হবে। তবে গোটা রাজ্যে একটি সংস্থা, নাকি এলাকা ভাগ করে কয়েকজনকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা অবশ্য এখনও স্থির হয়নি।
দপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন গ্রামে কৃষকরা অনেকে এই পদ্ধতিতে চাষ করছেন ঠিকই। কিন্তু তাতে অনেক খামতি রয়েছে। যেমন, কৃষকরা পলিথিন শিট দিয়ে ঢেকে চাষ করছেন, অথচ বাতাস আসা যাওয়ার কোনও ব্যবস্থা রাখছেন না। এরকম নানা ধরনের ভুল-ত্রুটি শুধরে সংশ্লিষ্ট সংস্থা তাদের পলি হাউস ফার্মিংয়ের পরিকাঠামো তৈরি করে দেবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ